মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় কমল ভারতের স্লট, 2027-28 থেকে চ্যালেঞ্জ লিগের প্লে-অফ খেলবে আইএসএল জয়ীরা
eTV Bharat | ২৩ মে ২০২৬
কুয়ালা লামপুর, 23 মে: সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে আয়োজিত হয়েছে এবারের আইএসএল ৷ যা জিতে 22 বছর পর ভারতসেরা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ৷ আগামী মরশুম থেকে আইএসএল স্বমহিমায় ফিরবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে ৷ কিন্তু আইএসএল শেষ হতেই খারাপ খবর এল ভারতীয় ফুটবলের জন্য ৷ আগামী 2027-28 মরশুম এএফসি টুর্নামেন্টে কমানো হল ভারতের স্লট ৷
সম্প্রতি মহাদেশীয় প্রতিযোগিতার ফরম্যাট এবং বিন্যাস রদবদল করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (AFC) ৷ যেখানে ভারতীয় দলের পতন হয়েছে ৷ ব়্য়াংকিংয়ে পশ্চিম এশিয়ায় 15 এবং সামগ্রিকভাবে মহাদেশে 26 তম স্থানে পতন হয়েছে ভারতের ৷ সদ্য শেষ হওয়া আইএসএলে প্রত্য়েকটি দল 13টি করে ম্যাচ খেলেছে ৷ এই বিষয়টিও খানিকটা পিছিয়ে দিয়েছে ভারতকে ৷ কারণ এএফসি'র নিয়ম অনুযায়ী প্রত্য়েকটি দেশের ঘরোয়া লিগে একেকটি দলের কমপক্ষে 24টি ম্যাচ খেলা বাধ্যতামূলক ৷
এশিয়ান ফুটবলের গভর্নিং বডি পরিকাঠামোগত সংস্কারের পর নতুন করে যে স্লট বরাদ্দ করেছে, সেখানে একটি জায়গা জুটেছে ভারতের কপালে ৷ সেটি হল এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্লে-অফ ৷ যা কার্যকর হবে 2027-28 মরশুম থেকে ৷ আইএসএল শিল্ড উইনারদের জন্য বরাদ্দ থাকবে সেই স্পট ৷ অর্থাৎ, কাপ উইনারদের এবং সুপার কাপ বিজেতাদের জন্য কোনও স্লট থাকছে না মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় ৷
উল্লেখ্য, চ্যালেঞ্জ লিগ হল এএফসি'র তৃতীয় সারির টুর্নামেন্ট ৷ ব়্যাংকিং'য়ে প্রথম সাতটি স্থানে থাকা দেশের ক্লাবগুলোর কাছে সুযোগ থাকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিট তথা শীর্ষস্থানীয় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার ৷ অষ্টম থেকে দ্বাদশ ব়্যাংকিংয়ে স্থানে থাকা দেশের ক্লাবগুলো সুযোগ পায় দ্বিতীয় সারির টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-টু'য়ে ৷ বাকি দলগুলো অংশ নেয় চ্যালেঞ্জ লিগে ৷ ভারতীয় ক্লাবগুলো টুর্নামেন্টের তৃতীয় তথা সর্বনিম্ন টিয়ারে পাকিস্তান, ইয়েমেন, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, নেপাল, প্যালেস্তাইন, ভুটান, মলদ্বীপ, সিরিয়া, বাংলাদেশ, লেবাননের মতো দেশের ক্লাবগুলোর মোকাবিলা করবে ৷
2026-27 মরশুমে অবশ্য আইএসএল চ্য়াম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল ও সুপার কাপ জয়ী এফসি গোয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-টু'য়ে প্লে-অফে অংশ নেবে ৷ মনে করা হচ্ছে এএফসি'র প্রতিযোগিতায় ভারতের লাগাতার খারাপ পারফরম্যান্সও ব়্য়াংকিং পতনের কারণ বলে মনে করা হচ্ছে ৷ গত মরশুমে যেমন প্রিলিমিনারি জিতে মূলপর্বে পৌঁছলেও চ্য়াম্পিয়ন্স লিগ-টু'য়ের মূলপর্বে সবক'টি ম্যাচ হেরেছিল গোয়া ৷ অন্যদিকে টানা দু'বছর চ্য়াম্পিয়ন্স লিগ-টু'য়ের ম্যাচ খেলতে ইরান যেতে অস্বীকার করায় দু'বছর এএফসি প্রতিযোগীতায় নিষিদ্ধ হয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ৷