গঙ্গারামপুরের চৌপুথির মোড় থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো বিশ্ববাংলার লোগো। শনিবার দুপুরে বিশাল মই নিয়ে হাজির হন পুরসভার কর্মীরা। তার পরে দড়ি দিয়ে বেঁধে নামিয়ে দেন বিশ্ববাংলার লোগো। এই ঘটনায় দক্ষিণ দিনাজপুর জুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
২০১৫ সালে সিপিএমকে সরিয়ে গঙ্গারামপুর পুরসভার দখল নেয় তৃণমূল। সেই সময়ে চেয়ারম্যান হন প্রশান্ত মিত্র। পুরসভার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে শহরের গুরুত্বপূর্ণ চৌপথি মোড়ে একটি স্মৃতি সৌধ তৈরি করা হয়। তার মাথায় বসানো হয় বিশ্ববাংলার লোগো।
পালাবদলের পরে রাজ্য জুড়ে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করেছে নতুন সরকার। একই সঙ্গে বিশ্ববাংলার বদলে রাজ্য সরকারের লোগো হিসেবে লাগানো হচ্ছে অশোক স্তম্ভ। এর মধ্যেই এ দিন দুপুরে বড় মই নিয়ে হাজির হন পুরসভার কর্মীরা। স্মৃতি সৌধের উপরে উঠে বিশ্ববাংলার লোগো খুলে নামিয়ে দেন তাঁরা।
প্রশাসনিক বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার এগজ়িকিউটিফ অফিসার পঙ্কজ কুমার পুরকাইত। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনিক বৈঠকে বিডিও এবং বিধায়ক ছিলেন। তাঁরাই আমাকে বিশ্ববাংলার লোগো খুলে ফেলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। পুরসভার চেয়ারম্যানও তাতে সম্মতি দিয়েছেন।’
বিশ্ববাংলার লোগো বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়। তিনি বলেন, ‘ওই ‘ব’ আসলে বাংলাদেশি স্মৃতি। আমাদের এখানে থাকবে না। এরকম যত লোগো আছে আমরা খুলে ফেলব।’ বদলে অশোক স্তম্ভ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তবে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি তৃণমূল।