সংবাদদাতা বসিরহাট: নোনা জল ঢুকে প্লাবিত কয়েক হেক্টর জমি। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকশো পরিবার। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত বিলবল্লি। আনুমানিক ৫০ হাজার একরজুড়ে এই বিল প্রসারিত। তুলনামূলকভাবে একটু উঁচু জমিতে ধান, পাট, সর্ষে চাষের প্রচলন আছে। এছাড়া নিচু জমিগুলিতে মিষ্টি জলের মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন এলাকার কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে স্বরূপনগরের কালীতলায় স্লুইস গেট খুলে দেওয়ায় ইছামতির লবণাক্ত জল খাল ছাপিয়ে প্রবেশ করেছে ধানের জমি ও মাছ চাষের ভেড়িতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার ধান ও মাছ। কৃষক গণেশ মণ্ডল বলেন, ‘চৈত্র-বৈশাখ মাসে আমাদের জমিতে হাঁটুসমান জল। ফলে নিজেদের জীবিকার পাশাপাশি জীবনও বিপন্ন। চাষিদের একাংশ বিভিন্ন সমবায় থেকে ঋণ নিয়ে চাষ করেন। নোনা জল উঠে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় তাঁদের এবার কী হবে।’ কৃষক মোছলেম মণ্ডল বলেন, ‘অকারণে কপাট তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। নিরপেক্ষ হয়ে তদন্ত করুক রাজ্য সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে দাঁড়াক। সমবায়গুলি কৃষিঋণ মকুব করুক।’ স্থানীয় প্রশাসন কোনো মন্তব্য করেনি। উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধিরা কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।’