• আমরা ‘বদলা’র রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই, বললেন খাদ্যমন্ত্রী
    বর্তমান | ২৪ মে ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বনগাঁ: ‘অত্যাচারীদের’ বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়। বরং তাঁদের ক্ষমা করে দিয়ে ‘অনুশোচনার দংশনে’ মারতে চান রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। শনিবার মতুয়াদের এক অনুষ্ঠানে বাগদার নিমিঝিমি গ্রামে যান তিনি। সেখানে মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আপ্লুত মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁদের অভিযোগ, বিগত দিনে একাধিক নির্বাচনে এই গ্রামে তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হতে হয়েছিল মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের। তাঁদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সেই সব দিনের কথা তুলে ধরেন গ্রামবাসীদের কেউ কেউ। তার প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হিংসায় বিশ্বাসী নয়। যারা অত্যাচার করেছে, আমরা বদলার রাজনীতি করলে তাদের গায়ে জামাকাপড়, চামড়া থাকবে না। কিন্তু এভাবে মারধর করে প্রতিশোধ নেওয়া হয় না। তাদের মাফ করে দিয়ে সারাজীবন অনুশোচনার দংশনে মারতে হবে।’ এদিনও নাগরিকত্বের জন্য সিএএ-তে আবেদনের পক্ষে সওয়াল করেন অশোকবাবু। এসআইআরে বাদ যাওয়া মতুয়া উদ্বাস্তুদের অবিলম্বে সিএএ-তে আবেদন করতে বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁরা সিএএ-তে আবেদন করুন। কেন্দ্রীয় সরকার নাগরিকত্ব দেবে। সিএএ-তে আবেদন করলেই মিলবে সব সুযোগ-সুবিধা।’

    এদিকে, খাদ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। এই কাজ করতে গিয়ে তাঁর প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে মৌচাকে ঢিল মেরেছি। তবে আমি ভয় পাই না দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে।’ এদিন গোপালনগরের বামনডাঙা এলাকায় আক্রান্ত এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। ওই বিজেপি কর্মী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। -নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)