• বেআইনি নির্মাণ নোটিসে সময় চাইল অভিষেকের সংস্থা?
    আজকাল | ২৪ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি এবং তাঁর বেআইনি সম্পত্তি। গত কয়েকদিন ধরে এই দুই নিয়েই চর্চা তুঙ্গে। দিন কয়েক আগেই জানা যায়, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস'কে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, কলকাতা পৌর কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০-এর ধারা 400(1) অনুসারে, নোটিস জারির তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি রোডের নির্দিষ্ট ঠিকানায় অবস্থিত বাড়ির অননুমোদিত অংশগুলি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি তা ভাঙা না হয়, তাহলে কেন ভাঙা হল না, তার কারণ দর্শাতে হবে। অর্থাৎ কারণ দর্শাতে হবে, কলকাতা পৌর কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০-এর শর্তাবলী লঙ্ঘন করে এবং বিধান ভঙ্গ করে উপরোক্ত ঠিকানায় কেন অঅনুমোদিত অংশ ভেঙে ফেলা হল না। যদিও অভিষেক এবং তাঁর সংস্থাকে পরপর নোটিস সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূল নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। দলের অভ্যন্তরে কমবেশি জলঘোলা, মতানৈক্য ঘটে গিয়েছে বলেও গুঞ্জন বাংলার রাজনীতিতে।

    এর মাঝেই সমানে এসেছে আরও বড় তথ্য। সূত্রের খবর, নোটিস জারির ৭ দিনের সময় শেষ হওয়ার আগে, অভিষেকের সংস্থা পুরসভার কাছে সময় চেয়েছে। বাড়তি ১০ দিনের সময় যয়ায়া হয়েছে বলে খবর সূত্রের। সূত্রের খবর লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস জানিয়েছে, যে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে পুরসভার তরফে, সেসব তথ্য জানানো হবে। শুধু তারজন্য কিছুতা সময় প্রয়োজন। শনিবার সন্ধেয় এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে খবর সূত্রের। যদিও এই প্রসঙ্গে ওই সংস্থা কিংবা অভিষেক ব্যানার্জির তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    তবে এই চিঠির প্রসঙ্গে অনেকেই বলছেন, সুর চড়িয়ে তাহলে গলা নামালেন তৃণমূল সাংসদ। কারণ দিন কয়েক আগেই, সম্পত্তি, বেআইনি নির্মান সংক্রান্ত প্রশ্নে সংবাদমাধ্যমের সামনে মেজাজ হারাতে দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। তখনই মেজাজ হারিয়ে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, 'নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন বাড়ির কোন অংশ অবৈধ। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, উত্তর দেব।' অভিষেকের রুক্ষ মেজাজ নিয়েও চর্চা হয়েছে বাংলার রাজনীতিতে। তারপরেই সামনে এল পুরসভায় চিঠি পাঠানোর প্রসঙ্গ।
  • Link to this news (আজকাল)