দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বাংলার মসনদে বিজেপি। ‘ভয় আউট ভরসা ইন’ প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রেখেছে বাংলার মানুষ। সরকার গঠনের আগে হোক বা পরে বিজেপি বারবার বুঝিয়ে দিয়েছে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনই অন্যতম লক্ষ্য। বাংলায় ক্ষমতায় আসার পরই রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, কোনও তৃণমূলীকে দলে নেওয়া হবে না। দলে বেনোজল ঠেকাতে প্রথমদিন থেকেই তৃণমূলের এন্ট্রি নিয়ে নিজেদের কড়া অবস্থানের কথা জানিয়ে এসেছেন শমীক। দিন দুয়েক আগে দিল্লির বঙ্গভবনের সামনে মুখ্যমন্ত্রীর ৪০ সেকেন্ডের সৌজন্য সাক্ষাত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়। এই প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করতেই তিনি সাফ জানান, “দলের এদের জন্য দরজা বন্ধ।”
অন্যদল থেকে যে অনেকেই যে বিজেপিতে যাওয়ার জন্য উৎসুক হয়ে আছেন, তা ভালোই টের পাচ্ছেন নেতৃত্বরা। আড়ালে-আবডালে আর্জিও জানিয়েছেন অনেকে। সেই প্রশ্নেই শমীক ভট্টাচার্য জানান, “দরজার ভিতরে অনেকেই অবনীকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। কেউ যদি আসতে চায়, দল অবশ্যই চিন্তাভাবনা করবে। তবে যারা সিন্ডিকেট, কয়লা-বালি পাচার, চাকরি বিক্রিতে জড়িত ছিল। তাদের জন্য কখনও বিজেপি দরজা খুলবে না।”
কয়েকদিন ধরেই পরমব্রতর ‘সদ্যজাত’ মন্তব্য নিয়ে জলঘোলা কম হচ্ছে না। সমাজ মাধ্যমেও পরমব্রতর ‘পাল্টি’ নিয়ে কম চর্চা হয়নি। তবে কি গেরুয়া ঝড়ে তিনিও সামিল হতে চলেছেন বন্ধু রুদ্রনীলের দলে? প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি কড়া সুরে জানিয়ে দেন, “এদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। যারা সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করে বিজেপিকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন, তাদের ভরসাতেই দল এগোবে। বিজেপির ইমপোর্টর কোনও প্রয়োজন নেই।”