Big Breaking: বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার। রবিবার মধ্যমগ্রামে তৃণমূল জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার দাবি করেন, দলের বৈভব, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং ভোট কুশলী সংস্থার খবরদারি করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এই ইস্তফা।
দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠির অংশে কাকলি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ ও দুর্নীতির কিছু উদ্বেগজনক ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে।
তাঁর সংযোজন, ‘নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন আপনি বিগত দিনের মতো সৎ, নিষ্ঠাবান পুরোনো কর্মীদের নিয়ে কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে মনে হয়। ভুঁইফোড় সংস্থা দিয়ে কঠিন কাজ হয় বলে মনে হয় না।’
ভোটের ফল প্রকাশের পরে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তর থেকে ক্ষোভের আঁচ আসছিলই। দলের অন্দরে দোষারোপের পালাও চলেছে। এখনও চলছে। প্রথম সারির নেতারা দলের শীর্ষনেতৃত্ব ও ভোট কুশলী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে এবং তুলছে। এরই মধ্যে বারাসতের সাংসদ কাকলিকে লোকসভায় তৃণমূলের সচেতক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেই পদে আনার পর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিয়েছিলেন কাকলি। চার দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই এবং আনুগত্যের জন্য এই ‘পুরস্কার’ তিনি পেলেন বলে অনুযোগ করেছিলেন। এ বার পদ ছাড়লেন।