মায়ের মৃত্যু হলেও মা-কে ছেড়ে যায়নি, সারা রাত মৃত মা-হাতির দেহ আঁকড়ে ধরে কাটাল হস্তি-শাবক
News18 বাংলা | ২৫ মে ২০২৬
মায়ের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু অবুঝ শিশু তা বুঝবে কেন! মৃত মা-হাতিকে আঁকড়ে ধরে রাত কাটাল শাবক! বাগডোগরার জঙ্গলে ধরা পড়ল চোখে জল আনা দৃশ্য। জানা যায়, বাগডোগরার জঙ্গলে একটি পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যু হয়! গভীর রাতে হাতির মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য চড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।
হাতির মৃত্যু হয় বাগডোগরা জঙ্গলের ১৬ এফইডির সেনাছাউনির পাশেই। রবিবার ভোররাতে প্রথমে খবরটি পায় সেনা বাহিনীর জওয়ানরা। তারাই জানায় বনদফতরকে। পরে বাগডোগরা এলিফেন্ট স্কোয়ার্ড ও বনদফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দেখা যায়, ঘটনাস্থলে মৃত মায়ের সঙ্গে ছিল তার শাবকও। রবিবার দুপুরে মৃত হাতির ময়নাতদন্ত হয়। বনদফতর সূত্রে খবর, ২০ বছর বয়সি হাতিটি বার্ধক্যজনিত কারণ ছাড়াও একাধিক রোগে ভুগছিল। গতবছর ৯ মার্চ দুটি পূর্ণবয়স্ক হাতির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল একটি হাতির। ১০ মার্চ ট্রাইপোনোসোমা প্রোটোজোয়া নামক মারণ রোগে আক্রান্ত হয়ে ২২ দিন চিকিৎসার পর বাগডোগরা টাইপু বিটে মৃত্যু হয়েছিল আরও এক হাতির।
আরও পড়ুন: ব্যাপক ধরপাকড় রেলের…! বিনা টিকিটের যাত্রী ধরে দুই দিনে ‘এই’ রুটে ধরা পড়ল ১,৩৪৭ যাত্রী, ফাইন হিসেবে আদায় হল লাখ লাখ টাকা
আরও পড়ুন: ভোররাতে দাউদাউ করে আগুন, মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই উপার্জনের অন্যতম ভরসা! প্রতিহিংসার ছায়া দেখছেন স্থানীয়রা
দিন কয়েক আগেই শালবনীতে হাতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়ায়। একটি বেসরকারি হেরিটেজ ফলের বাগানে লাগানো বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল হাতির। ঝাড়গ্রাম বনবিভাগের লোধাশুলি রেঞ্জের অন্তর্গত গড় শালবনী এলাকায় এক পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গড় শালবনীর একটি ফলের বাগানে বুধবার সকালে একটি পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। অভিযোগ, বাগানের ফসল ও ফল বাঁচাতে চারধারে বিদ্যুতের তার বিছিয়ে রাখা হয়েছিল। অসাবধানতাবশত সেই হাই-ভোল্টেজ তারের সংস্পর্শে চলে আসায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছটফট করতে করতে ঘটনাস্থলেই হাতিটির মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ছুটে আসেন লোধাশুলি রেঞ্জের আধিকারিক সহ-বন দফতরের উচ্চপদস্থ কর্তারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছান ঝাড়গ্রামের ডিএফও এবং রেঞ্জার।