• ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি উত্তর সিকিমে, আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধারে নামল সেনা
    প্রতিদিন | ২৫ মে ২০২৬
  • শনিবার দুপুর থেকে উত্তর সিকিম জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়েছে। নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে হড়পা বানের বিপদ গর্জেছে। শনিবার রাতে মেয়ং খোলার কাছে মাঙ্গান-চুংথাং সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলি একের পর এক বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় আটকে পড়ে একের পর এক পর্যটক ভর্তি গাড়ি। যদিও খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) এর আধিকারিকরা। জরুরি ভিত্তিতে আটকে পড়া লোকজনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    যদিও রবিবার সকালে হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অবস্থায় বিপদ কাটেনি। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের সিকিম কেন্দ্রের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা জানান, ২৬ মে পর্যন্ত উত্তর সিকিমে অতিভারী বর্ষণের ‘কমলা’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সিকিম প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে মঙ্গন-চুংথাং রুটের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো প্রবল জলের স্রোত এবং ভূমিধসের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। গুরুত্বপূর্ণ মেয়ং খোলা সেতুটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হলেও রবিবার যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

    মঙ্গনের পুলিশ সুপার এলবি ছেত্রী জানান, মেয়ং খোলার জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় টুং নাগা হয়ে চুংথাং-মাঙ্গানগামী যে রাস্তাটি সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল সেটা এখন সব ধরনের যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এদিকে হড়পা বান ও ভূমিধসের জন্য লাচেন ও লাচুংয়ের মতো জনপ্রিয় গন্তব্যের দিকে যাওয়া শত শত পর্যটক আটকে পড়েন। সেনাবাহিনী তাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উত্তর সিকিমে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন নদীর জলস্তর বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রবল স্রোত বাড়তে থাকায় কয়েকটি যানবাহন আটকে পড়েছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)