• শেষবেলায় প্লেয়ারদের ডাক, মোহনবাগানের আচরণে ক্ষুব্ধ AIFF
    এই সময় | ২৫ মে ২০২৬
  • জাতীয় দলের শিবির থেকে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের ফুটবলারদের ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করল অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন বা AIFF। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট তদের ৭ জন প্লেয়ারকে সম্প্রতি ডেকে নেয়। টুর্নামেন্ট খেলতে ভারত ছাড়ার আগেই তাঁদের ডাকা হয়। আচমকাই তাঁদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ফেডারেশন।

    এআইএফএফ-এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল এম সত্যনারারণ জানান, ফুটবলারদের চোট সংক্রান্ত দায়ভার নিয়ে ক্লাবের তরফে ফেডারেশনের কাছে কোনও আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়নি। তাঁর বক্তব্য, ‘১০ এপ্রিল থেকেই ইউনিটি কাপে ভারতের অংশগ্রহণ নিয়ে সমস্ত ক্লাবকে জানানো হয়েছিল। এমনকি ভিসার বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়াও ক্লাবগুলির পূর্ণ জ্ঞাতসারেই সম্পন্ন হয়।’

    তিনি আরও জানান, জাতীয় দলের ফুটবলারদের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের দায়িত্ব বরাবরই AIFF নিয়েছে। ২০২৫-২৬ মরশুমে বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের চিকিৎসার পিছনে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    সূত্রের খবর, মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের সাতজন ফুটবলারের মধ্যে ছ’জন ২২ মে বেঙ্গালুরুর জাতীয় শিবিরে যোগ দেন। একজন চোটের কারণে যেতে পারেননি। কিন্তু শিবিরে যোগ দেওয়ার একদিনের মধ্যেই ক্লাবের তরফে ফুটবলারদের অনুশীলনে অংশ না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। AIFF সূত্রে দাবি, এই সিদ্ধান্তে কয়েকজন ফুটবলার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    জাতীয় দলের ডিরেক্টর সুব্রত পাল বলেন, ‘এত দেরিতে সিদ্ধান্ত বদল হওয়ায় শুধু ওই ফুটবলারদেরই ক্ষতি হয়নি, বিকল্প হিসেবে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাও নষ্ট হয়েছে অন্যদের।’ তিনি আরও জানান, অতীতে CAFA কাপ এবং অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল ফেডারেশনকে।

    AIFF-এর দাবি, ১০ এপ্রিল প্রথম চিঠি পাঠানো হয়েছিল ক্লাবগুলিকে। ২৩ এপ্রিল ভিসার বায়োমেট্রিকের সময়ও বিষয়টি জানানো হয়। মে মাসের শুরুতেই লন্ডন সফরের সূচিও পাঠানো হয়েছিল। তবে আইএসএল ফাইনালের আগের রাতেই প্রথমবার মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট জানায় যে ফিফা উইন্ডোর বাইরে ফুটবলারদের ছাড়া হবে না। এরপর ২৩ মে জাতীয় শিবির ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় ফুটবলারদের।

  • Link to this news (এই সময়)