• ইঞ্জিন বিকল, শান্তিনিকেতন স্টেশনে আড়াই ঘণ্টা আটকে গণদেবতা এক্সপ্রেস, চূড়ান্ত ভোগান্তিতে যাত্রীরা
    এই সময় | ২৫ মে ২০২৬
  • আচমকা বিকল ইঞ্জিন। রবিবার বীরভূমের শান্তিনিকেতন স্টেশনে প্রায় আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকল গণদেবতা এক্সপ্রেস। চরম ভোগান্তিতে পড়লেন যাত্রীরা। ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল দশা হলো শিশু ও বয়স্কদের। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষে নতুন ইঞ্জিন এলে ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেন।

    এ দিন নির্ধারিত সময়েই আজিমগঞ্জ থেকে ছাড়ে গণদেবতা এক্সপ্রেস। গন্তব্য ছিল হাওড়া। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহমেদপুরের আগেই ইঞ্জিনে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা যায়। ফলে স্টেশনে ঢুকতে প্রায় এক ঘণ্টা লেট হয়। বেশ কিছুক্ষণ লাইনেই দাঁড়িয়ে থাকে ট্রেনটি।

    সঙ্গে সঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন চালক। যান্ত্রিক গোলযোগের কথা জানান তিনি। এর পরে অত্যন্ত ধীর গতিতে চলতে শুরু করে ট্রেন। প্রান্তিক স্টেশনে ঢুকতেও প্রায় ২ ঘণ্টা লেট হয়। সেখান থেকে কোনও রকমে ট্রেনটিকে নিয়ে আসা হয় শান্তিনিকেতন স্টেশনে। ঘড়িতে তখন রাত ৮টা ১২ মিনিট।

    শান্তিনিকেতন স্টেশনেও প্রায় আধ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল গণদেবতা এক্সপ্রেস। এখানে পুরোনো ইঞ্জিন খুলে নতুন ইঞ্জিন লাগানো হয়। রাত ৯টা ৮ মিনিটে ফের হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেন।

    দীর্ঘক্ষণ ভ্যাপসা গরমে ট্রেনের ভিতরে বসে থাকতে থাকতে রেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন যাত্রীরা। গোটা ঘটনায় রেলের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন তাঁরা। ওই ট্রেনেই রামপুরহাট থেকে হাওড়ায় যাচ্ছিলেন নবীন বোহার। তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় খুব কষ্ট হয়েছে।’ অধিকাংশ যাত্রীর দাবি, ট্রেন রওনা দেওয়ার আগে যথাযথ ভাবে ইঞ্জিনের পরীক্ষা-নীরিক্ষা করলে এমন দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হতো না।

  • Link to this news (এই সময়)