• স্থায়ী বাঁধের আশায় বুক বেঁধেছে নাদাভাঙা
    বর্তমান | ২৫ মে ২০২৬
  • সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: বহুবার ভেঙেছে নদীবাঁধ। তৈরিও করা হয়েছে। কিন্তু কিছুই লাভ হয়নি। কারণ নদীর প্রবল স্রোতের সামনে অস্থায়ী নদীবাঁধ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনি। তা সত্ত্বেও ফের চওড়া করে মাটি ফেলে নতুন করে নদীবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে কাকদ্বীপ বিধানসভার নাদাভাঙা এলাকায়। কিন্তু তাতেও নিশ্চিন্তে নেই এই এলাকার বাসিন্দারা। কারণ তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে এসেছেন। এবার রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। তাই স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণের আশায় বুক বেঁধেছেন এই এলাকার বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, গত ৫০ বছরে এই গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার জমি নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। বহু পরিবারকে ঘর ছাড়া হতে হয়েছে। বহু গাছ, পানের বরজ ও কয়েকশো বিঘা ধানের জমিও নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে।

    এবিষয়ে নাদাভাঙা এলাকার বাসিন্দা বিপ্লব বর্মন বলেন, বর্ষাকাল এলেই গ্রামের সবাইকে আতঙ্কে থাকতে হয়। অথচ প্রতিবছরই প্রশাসনের কাছে স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণ করার জন্য দাবি জানাই আমরা। কিন্তু লাভ কিছুই হয় না। সেই মাটি ফেলেই ফের নদীবাঁধ নির্মাণ করা হয়। আর প্রতিবারই নদীবাঁধ নির্মাণের জন্য জমি দেওয়া হয়। কিন্তু সেই জমিটাও রক্ষা হয় না। অথচ এই নদীবাঁধ ভেঙে গেলে নারায়ণপুর এলাকার কয়েক হাজার বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়বে। এবার রাজ্যে নতুন সরকার এসেছে। আশা করা যায়, স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণ করা হবে।

    রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই নদীবাঁধের পরিস্থিতি জানতে দু’টি প্রশাসনিক বৈঠক করা হয়েছে। বিপজ্জনক নদীবাঁধগুলিকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন কাকদ্বীপ ও সাগরের বিধায়ক দীপঙ্কর জানা ও সুমন্ত মণ্ডল। এবিষয়ে তাঁরা বলেন, এবার থেকে বারবার নদীবাঁধ তৈরি করা হবে না। দীর্ঘস্থায়ী নদীবাঁধ তৈরি করা হবে।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)