গরমের ছুটি চলছে বিভিন্ন স্কুলে। বাড়ির খুদের সদস্যদের নিয়ে তাই সবুজ বনানীর আস্বাদন নিতে ডুয়ার্সে ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা। আগামী ১৬ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর অবধি ভারতবর্ষের সমস্ত জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্যে বন্ধ থাকবে পর্যটকের প্রবেশ। তার আগে গোরুমারা ও লাটাগুড়ি জঙ্গলে পর্যটকদের লম্বা লাইন। খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
গোরুমারার যাত্রাপ্রসাদ ওয়াচ টাওয়ার বা নজরমিনার হোক বা রামসাই মেদলা নজরমিনার সবেতেই সল্টপিটে দেখা মিলছে একাধিক পশুর। গন্ডার, বাইসন, হাতি, হরিণ, ময়ূরের দেখা পেয়ে উচ্ছ্বসিত দূর দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা।
পর্যটন ব্যবসায়ী দিব্যেন্দু দেব বলেন, ‘গরমের ছুটি পড়েছে। সেই কারণে পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। ১৫ জুন অবধি গোরুমারা অভয়ারণ্য খোলা থাকছে। ফলে এই কয়েকটা দিন পর্যটকদের ভিড় থাকবেই।’ বর্তমানে গোরুমারার দু’টি নজরমিনারের বন্ধ রয়েছে। সেই কারণে দু’টি নজরমিনারের জন্য পর্যটকদের বাড়তি চাপ রয়েছে। বাকি নজরমিনারগুলিও যাতে খুলে দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে আর্জি জানাচ্ছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য, ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকালে জঙ্গল সাফারি প্রতি বছরেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রজননের সময়ে পশুদের যাতে কোনও ভাবে বিরক্ত করা না হয়, তার জন্যেই এই সময়ে জঙ্গল বন্ধ রাখা হয়।