আজকাল ওয়েবডেস্কঃ ক্ষমতায় এসেই সক্রিয় বিজেপি সরকার। রাজ্যের একের পর এক জায়গায় বেআইনি বাসস্থান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ বার একই ঘটনা জগদ্দলেও। স্টেশন চত্বরে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হল।
সূত্রের খবর, বেশ কয়েক দিন ধরে রেলের জমির উপর অবৈধ দোকান উচ্ছেদ কর্মসূচি চলছে। সেই মতোই জগদ্দল স্টেশনে উপরে যে সকল অবৈধ দোকান ছিল, সেই সকল দোকানগুলি রেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ভাঙার কাজ শুরু হয়। এমনকি ২-৩টি দোকান দীর্ঘদিন ধরে খালি অবস্থায় পড়েছিল, সেই সমস্ত দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেই কাজ চলার সময় সিপিআইএম-এর তরফ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হয়।
সিপিআইএম নেতৃত্ব জানান, পুনর্বাসন ছাড়া কোনওরকম উচ্ছেদ করা যাবে না। আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। যদিও সিপিআইএম-এর দাবি, যে সকল দোকান সচল অবস্থায় রয়েছে, সেই সকল দোকানগুলিকে উচ্ছেদ করা যাবে না। এমনকি পুনর্বাসন ছাড়া কোনওরকম উচ্ছেদ নয়, এর সাথে এটাও জানায় যে সকল দোকানগুলিতে বেআইনি কার্যকলাপ হয়, সেই সকল দোকানগুলি উচ্ছেদ করা হোক। কোনওরকম বেআইনি কার্যকলাপের সাথে আপোস নয়। শেষ পর্যন্ত রেল কর্তৃপক্ষ এবং সিপিআইএম নেত্রী গার্গী চ্যাটার্জীর মধ্যে একটি আলোচনার পর স্থগিত রাখা হয়।
সম্প্রতি কোন্নগর রেল স্টেশনের আন্ডারপাসে টোল গেট বসিয়ে টাকা তোলা হতো। পুলিশের নির্দেশেই আন্ডারপাসের সামনে থাকা সেই অফিস ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। কোন্নগরের ওই অফিসের তরফে বেআইনি টোল আদায় নিয়ে অবগত হন উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তিনি নিজেই কোন্নগর পুরসভায় গিয়ে টোল আদায়ের অনুমতি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু অনুমোদন সাপেক্ষে প্রত্যাশিত তেমন কোনও কাগজ তাঁর নজরে পড়েনি।