• ‘দেশের ক্রীড়াজগতের অপূরণীয় ক্ষতি’, টুটু বোসের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার
    প্রতিদিন | ২৫ মে ২০২৬
  • সদ্য প্রয়াত হয়েছেন ময়দানের কিংবদন্তি ফুটবল প্রশাসক স্বপনসাধন বসু। যাঁকে সবাই চেনে টুটু বোস নামে। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার। জানালেন, এই প্রয়াণ কেবল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্যই নয়, বরং গোটা দেশের জাতীয় ক্রীড়া জগৎ এবং জনজীবনের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি। টুটু বোসের পুত্র সৃঞ্জয় বোসকে লেখা চিঠিতে তাঁর শোকবার্তা জানিয়েছেন ওম।

    তিনি চিঠিতে লিখেছেন, ‘আপনার শ্রদ্ধেয় পিতা, রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শ্রী স্বপনসাধন বসু মহাশয়ের পরলোকগমনের সংবাদ জেনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি ছিলেন একজন শ্রদ্ধেয় সাংসদ, অসাধারণ ক্রীড়া প্রশাসক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিকে সুদৃঢ় করতে এবং ফুটবলপ্রেমী প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে তিনি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর প্রয়াণ কেবল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্যই নয়, বরং সমগ্র দেশের ক্রীড়া জগৎ এবং জনজীবনের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি। শোকের এই মুহূর্তে, আমি আপনার প্রতি, আপনাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি এবং সকল অনুরাগীদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। ওঁর বিদেহী আত্মা যেন পরম শান্তি লাভ করেন এবং ঈশ্বর যেন আপনাকে ও আপনার পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও মানসিক দৃঢ়তা দান করেন।’

    গত মঙ্গলবার গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন টুটুবাবু। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি ছিলেন আপামর মোহনবাগানের অভিভাবক। ভারতীয় ক্লাব প্রশাসনের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্বও। ১৯৯১ থেকে প্রায় ৩ দশক প্রত্যক্ষভাবে মোহনবাগান ক্লাব প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন টুটুবাবু। তাঁর স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ‘সংবাদ প্রতিদিন’ও অভিভাবকহীন হয়েছে তাঁর প্রয়াণে। কেবল ক্রীড়াপ্রশাসক বা সংবাদপত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবেই নয়, বাঙালি ব্যবসায়ী হিসাবেও তিনি ছিলেন কিংবদন্তি। গত শুক্রবার বালিগঞ্জের বোস বাড়িতে সম্পন্ন হয় তাঁর পারলৌকিক ক্রিয়া। সেখানেই ময়দানের মহীরুহকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে ক্রীড়াদুনিয়া তো বটেই এমনকী রাজনৈতিকমহলের গণ্ডি পেরিয়ে সেলেবপাড়ার ব্যক্তিত্বরাও উপস্থিত হয়েছিলেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)