• অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা! ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে বন্দি ৩ বাংলাদেশি
    প্রতিদিন | ২৫ মে ২০২৬
  • দ্রুতগতিতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের তাড়াতে কাজ শুরু করে দিল রাজ্য সরকার। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি লাগু করতে দিন দুই আগেই জেলায় জেলায় নোটিস পাঠিয়ে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার লালগোলার হোল্ডিং সেন্টার পদ্মাভবনে তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Infiltrator) রাখা হল। এরপর নিয়ম অনুযায়ী, তাদের বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তারপর বাংলাদেশে পুশব্যাক।

    অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বরাবর বাংলার দিকে আঙুল তুলেছিল কেন্দ্র। নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ, বারবারই বাংলায় ভোটের প্রচারে এসে এই সমস্যার কথা উল্লেখ করে তৃণমূল সরকারকে তুলোধোনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে তো এই অনুপ্রবেশ বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হতেই কেন্দ্রের নীতি মেনে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ পদ্ধতি শুরু করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেইমতো সম্প্রতি সরকারি নির্দেশ জারি হয়েছে, যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করতে হবে। ২৩ মে এই নির্দেশিকা জারির পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই নির্দেশ কার্যকর হল। জানা গেল, লালগোলার পদ্মাভবনের তিনতলায় যে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি হয়েছে, সেখানে ৩ জন বাংলাদেশিকে (Bangladeshi Infiltrator) রাখা হয়েছে।

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে তিন ধরনের লোকজনকে রাখা হবে। প্রথমত, সীমান্ত পেরনো অনুপ্রবেশকারীকে ধরা মাত্র পুলিশ তাদের পাঠাবে হোল্ডিং সেন্টারে। দ্বিতীয়ত, যারা জেলবন্দি, তাদের আর আদালতে পেশ না করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। তৃতীয়ত, সাজার মেয়াদ শেষ হওয়া বাংলাদেশি, আইনি জটিলতায় যাঁদের প্রত্যর্পণ আটকে, তাঁদেরও রাখা হবে একই জায়গায়। সূত্রের খবর, লালগোলার পদ্মাভবনের তিনতলায় যে হোল্ডিং সেন্টারটি গড়ে উঠেছে, সেখানে থাকা ৩ জনই পুরুষ। তাঁদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে বিস্তারিত পরিচয় বা অন্য কোনও তথ্য এখনও জানা যায়নি। এই হোল্ডিং সেন্টার নিয়ে তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কেন কাউকে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হচ্ছে? তাহলে বিএসএফ সীমান্ত পাহারার নামে কী করছিল? 
  • Link to this news (প্রতিদিন)