• ফলতা পেল গোটা রাজ্যের সবথেকে বেশি ভোটে জয়ী প্রার্থীকে, থাকল চাওয়া-পাওয়া
    News18 বাংলা | ২৫ মে ২০২৬
  • ফলতায় পুননির্বাচনের পর ফল প্রকাশিত হয়েছে। আর তারপরেই যে তথ্য এসেছে তাতে দেখা গিয়েছে ফলতার বিজেপি প্রার্থী রাজ্যের সবথেকে বেশি ভোটে জয়ী প্রার্থী। তাঁর জয়ের ব্যবধান ১,০৯,০২১। এর আগে এবছর মাটিগাড়া নক্সালবাড়ি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ১,০৪,২৬৫ ভোটে জিতে সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী প্রার্থী ছিলেন।

    এ দিকে এই বিপুল জয়ের পর ফলতা বাসীর প্রার্থীর কাছে চাওয়া-পাওয়া বেড়েছে। দেবাংশু পণ্ডাও এলাকায় জলের সমস্যা, বন্ধ কলকারখানা চালুর কথা, কর্মসংস্থানের হাল ফেরানোর কথা বলেছেন।

    ফলতা অবাধ বাণিজ্য কেন্দ্র জুড়ে বড় আকারে শিল্পনগরী তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। এমনিতেও ফলতা-সহ সংলগ্ন বহু গ্রামের মানুষকে কৃষিজ পণ্য ছাড়াও হাতে তৈরি নানা জিনিস বিক্রির জন্য রোজ কলকাতায় যাতায়াত করতে হয়। সেজন্যও রেল যোগযোগ জরুরি। কারণ এখানকার সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থা খুব দুর্বল।

    দেবাংশু পণ্ডা জানিয়েছেন, “আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, বিগত কয়েক বছর আগে ডায়মন্ডহারবার থেকে ফলতা হয়ে বজবজ পর্যন্ত পৃথক রেললাইন তৈরি নিয়ে পূর্ব রেল সমীক্ষা করেছিল। ব্রিটিশ আমলে এই পথে মার্টিন রেলের লাইন ছিল। তাতে কয়লার ইঞ্জিনের ট্রেনও চলত। রেলের সেই জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনকে। ফল প্রকাশের পর পূর্ব রেলের ডিআরএম এর সঙ্গে যোগযোগ করে এক্ষেত্রে অগ্রগতির বিষয়টি জানতে চাইব। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর সঙ্গে এনিয়ে যোগাযোগ করে এগোতে হবে।’’

    ফলতা অবাধ বাণিজ্য কেন্দ্রে ২৩০ বেশি বড়, মাঝারি ও ছোটো কারখানা ছিল। প্রতিদিন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ এখানে একসময় কাজ করতেন। এখন সেখানে ২০টির মতো কারখানা রয়েছে। বন্ধ হওয়া কারখানার মালিকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের এখানে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানান ফলতার নবনির্বাচিত বিধায়ক। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বড়ো কারখানা যাতে এখানে হয়, তারও পরিকল্পনা হয়েছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)