রাজনীতি যদি কোনও ইন্ডাস্ট্রিকে কন্ট্রোল করে, সেটা ভালো তো নয়ই, অস্বাভাবিকও বটে: ঋত্বিক
এই সময় | ২৫ মে ২০২৬
রাজ্যে পালাবদলের পরে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের নানা পরিবর্তন নিয়েও চলছে আলোচনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবর ভীষণই অ্যাক্টিভ অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। রাজনৈতিক মঞ্চে কখনও তাঁকে দেখা না গেলেও, তাঁর নানা ‘দুষ্টুমিষ্টি’ পোস্ট নিয়েও চলতে থাকে জোর চর্চা। রাজনৈতিক বদলের পরে ইন্ডাস্ট্রির পরিবর্তন কি হবে? টলিউডের কেমন পরিবেশ চান ঋত্বিক?
রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে এমনিতে দূরেই থাকেন ঋত্বিক। তবে কোনও মন্তব্যেই তেমন রাখঢাক নেই অভিনেতার। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে রাজনীতি নিয়ে কী বললেন ঋত্বিক? অভিনেতার কথায়, ‘গত ১৫ বছরে এই ইন্ডাস্ট্রিতে অত্যন্ত বেশি রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে। একেবারেই চাইব না এমন রাজনীতি কাজের ক্ষেত্রে থাক।’
টলিউড যাতে ইন্ডাস্ট্রির লোকজনই চালাতে পারে, এমনই একটা পরিবেশ পাওয়ার আশায় ঋত্বিক। অভিনেতা বলেন, ‘যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থাৎ রূপাদি (রূপা গঙ্গোপাধ্যায়), রূদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী ও হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তার মধ্যে রূপাদি ও রূদ্র সম্পর্কে আমার একটা আইডিয়া আছে। ওঁদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি, কাজ করেছি। আমার মনে হয় ওঁরাও জানে রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে আসলে কোনও ইন্ডাস্ট্রিরই খুব একটা ভালো হয় না। রাজনীতি যদি কোনও বিষয়কে কন্ট্রোল করে তবে ব্যাপারটা ভালো তো নয়ই, অস্বাভাবিকও বটে।’
রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলে কতটা আশাবাদী ঋত্বিক? এ বিষয়ে অভিনেতার অবশ্য মত, ‘আশা করা ছাড়া আমাদের তো কোনও উপায় নেই। তাই আশা ও আশঙ্কা দুই নিয়েই আছি। কখনও কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার বা প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব কেন আসেনি তাঁর কাছে? ঋত্বিকের কথায়, ‘আমি বোধহয় এটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছি যে আমি আসলে কারও প্রার্থী নই। আমি নাগরিক।’