ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ফের ট্র্যাকে আনার গুরুদায়িত্ব দিয়েই বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও-কে এই দেশে পাঠিয়েছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ভারত সফরে ট্রাম্পেরই এক পুরোনো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে ঘিরে অস্বস্তিতে পড়তে হলো মার্কো রুবিও-কে। রবিবার নয়াদিল্লিতে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন রুবিও এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানেই এক আমেরিকান সাংবাদিক রুবিও-র কাছে জানতে চান, আমেরিকানরা অনলাইনে ভারতের বিরুদ্ধে যে বর্ণবিদ্বেষী প্রচার চালান এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে ভারতকে ‘নরককুণ্ড’ বলেছিলেন, এই বিষয়ে আমেরিকান প্রশাসনের অবস্থান কী?
প্রশ্নের জবাবে স্বাভাবিক ভাবেই প্রাথমিক ভাবে থমকে গিয়েছিলেন আমেরিকান বিদেশ সচিব। তার পরে খুব সুকৌশলে উত্তর দেন। তিনি জানান, ওই সাংবাদিক কোনও নির্দিষ্ট উদাহরণ দেননি। তাই অনলাইনে ভারতবিরোধী প্রচারকে তিনি সাধারণ ইন্টারনেট ট্রোল বা কোনও ‘বট’-এর কাজ বলে ধরে নিচ্ছেন। এর পরে রুবিও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতকে অত্যন্ত ভালোবাসেন এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একজন বড় ভক্ত।’
এই বিতর্কের সূত্রপাত গত এপ্রিল মাসে। সেই সময়ে এক আমেরিকান পডকাস্টারের আপত্তিকর পোস্ট ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। তবে রুবিও ও সাউথ ব্লকের সুর এক: পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যৌথ স্বার্থের মজবুত ভিতের উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক। এই ধরনের কিছু কটু মন্তব্যে তাকে টলানো যাবে না।