দলের সঙ্গে তাঁর ‘দূরত্ব’ নিয়ে নানা জল্পনার মাঝে এ বার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকেও পৌঁছে গেলেন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। তবে শুধু তিনিই নন, উত্তর ২৪ পরগনার তিন তৃণমূল বিধায়কও হাজির হয়েছেন শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে।
সম্প্রতি কাকলির সমাজমাধ্যমের পোস্টে ‘আনুগত্যের পুরস্কার’ মন্তব্য নিয়ে জোর চর্চা হয়েছে। তার পরেই বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন প্রবীণ সাংসদ। এ সবের মধ্যে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাও পেয়েছেন কাকলি। ঘটনাচক্রে, সেই আবহেই তৃণমূল সাংসদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে পৌঁছে যাওয়া স্বাভাবিক ভাবেই অনেকের নজর কেড়েছে। যদিও বৈঠকে যোগ দেওয়ার সময়ে কাকলি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘প্রশাসন সবার। এটা কোনও দলীয় বৈঠক নয়। আর প্রশাসনিক বৈঠকে তো আমি আসিই।’
মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে সেই বৈঠকেই উপস্থিত হন কাকলি। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেগঙ্গার সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, স্বরূপনগরের বিনা মণ্ডল এবং হাড়োয়ার আব্দুল মতিন।
সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এর পরেই সমাজমাধ্যমের একটি পোস্টে কাকলি লেখেন, ‘আনুগত্যের পুরস্কার পেলাম।’ ঘটনাচক্রে, তার কিছু দিনের মধ্যেই দলীয় পদ থেকেই ইস্তফা দেন কাকলি।