ডায়মন্ড হারবারের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চাঞ্চল্য, কাউন্সিলর রাজর্ষি দাসের বিরুদ্ধে পোস্টার
News18 বাংলা | ২৬ মে ২০২৬
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে ভাইস চেয়ারম্যান তথা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজর্ষি দাসের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো পোস্টারে ভাইস চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার দাবি তোলা হয়েছে।
পোস্টারে রাজর্ষি দাসের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ওয়ার্ডের মধ্যে সমাজবিরোধী কাজকর্ম চালিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরসভা নির্বাচনে ভোট লুট করে জয়ী হওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে পোস্টারে। এছাড়াও তাঁকে ‘জমি মাফিয়া’, ‘সমাজবিরোধী’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কাউন্সিলর’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় লাগানো এই পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এই পোস্টার লাগিয়েছে বলে জানা যায়। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে ভাইস চেয়ারম্যান রাজর্ষি দাসের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবারে এক সঙ্গে ইস্তফা দিলেন ৮ কাউন্সিলর। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন বিভিন্ন পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান কাউন্সিলর-রা। আগেই ইস্তফা দিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার উত্তর ব্যারাকপুর , হালিশহর, গারুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুরে কাঁথি পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর। এর পর ইস্তফা দিলেন ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ৮ জন কাউন্সিলর।
ফলতা আসনের ফল ঘোষণার পরের দিনেই বড়সড় ভাঙন ডায়মন্ড হারবার পুরসভায়। এই পুরসভার সব ক’টি আসনই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। সোমবার পদত্যাগ করেছেন ৮ জন কাউন্সিলর। তাঁরা দত্যাগপত্র জমা দিতে যান ডায়মন্ড হারবার মহকুমাশাসকের দফতরে। তবে পৌর আইন অনুযায়ী, মহকুমাশাসক সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করায় পুরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাসের কাছে তা জমা দেন তাঁরা। ওই পদত্যাগকারী কাউন্সিলরদের মধ্যে রয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডের দিব্যেন্দু হালদার, ২ নম্বর ওয়ার্ডের মঞ্জু মণ্ডল, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমাল হালদার, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃদুল হালদার, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বপন হালদার, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অলোক হালদার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অমিত সাহা এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেবকি হালদার।