• আগামিকাল অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
    এই সময় | ২৬ মে ২০২৬
  • কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক বড় সিদ্ধান্তের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তালিকায় রয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে শুরু মা ক্যান্টিন সংক্রান্ত বড় সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার, কল্যাণীতে তিন জেলা অর্থাৎ নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে সমন্বয় বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী, সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যরা।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে দ্রুত কনভার্টের কাজ করানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করা হবে। অফলাইন ও অনলাইন, দুই ভাবেই ফর্ম পাওয়া যাবে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার (Annapurna Bhandar) টাকা পেতে ওই ফর্ম ফিল আপ করতে হবে। ফর্ম সংক্রান্ত বাকি তথ্য আগামিকাল দেবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যত তাড়াতাড়ি এনরোলমেন্ট করা হবে, তত তাড়াতাড়ি সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে আগামীকাল থেকে। যেমন যেমন ফর্ম ফিলআপ হবে, তেমন তেমন ৩ হাজার ট্রান্সফার শুরু হয়ে যাবে।’

    এই প্রসঙ্গে মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘যতক্ষণ না ৩০০০ টাকা ট্রান্সফার হচ্ছে, স্বাস্থ্যসাথী যেমন কন্টিনিউ রাখা হয়েছে আয়ুষ্মান ভারত কনভার্ট না হওয়া পর্যন্ত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকেও কন্টিনিউ করা হবে।’ তার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, শুধুমাত্র ভারতীয়রাই এই সুবিধা পাবেন, অভারতীয়রা এর সুযোগ পাবেন না।

    একই সঙ্গে মা ক্যান্টিনে মাছ-ভাত খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের। সপ্তাহে ২ দিন মাছ-ভাত পাওয়া যাবে। ৫ টাকাতেই মিলবে মাছ-ভাত। আপাতত ৪০০-র কাছাকাছি থাকছে মা ক্যান্টিনের সংখ্যা, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    স্বাস্থ্য দপ্তর নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আয়ুষ দপ্তরকে স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে আলাদা করার কথা বলেছেন তিনি। এ বার থেকে আয়ুষ দপ্তর আলাদা করে কাজ করবে। তার সঙ্গেই তিনি এ দিন জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পকে আয়ুষ্মান ভারতে কনভার্ট করানোর কাজ শুরু হয়েছে। যতদিন না এই প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা মিলবে।

    মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বিরোধী দলের ৬ জন বিধায়ক। হাড়োয়া, দেগঙ্গা, বাদুড়িয়া, স্বরূপনগর, বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক গিয়েছিলেন এ দিনের বৈঠকে। উপস্থিত ছিলেন বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বৈঠকে তিনি বক্তব্যও রেখেছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    সাধারণ জনগণ যাবতীয় সমস্যার কথা যাতে সহজেই প্রশাসনের কাছে পৌঁছতে পারেন, তার জন্য চালু হচ্ছে ‘আপনার সরকারকে বলুন’। আগে ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ চলত, সেটির বদলেই এই হেল্পলাইন আসছে। আগের নম্বরও বদলে যাচ্ছে। নতুন নম্বর শীঘ্রই জানিয়ে দেওয়া হবে।

  • Link to this news (এই সময়)