বাংলায় মদের দোকানের লাইসেন্স প্রদান নীতিতে বড় বদল
আজকাল | ২৬ মে ২০২৬
আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতে মদের বিক্রির উপর নেওয়া কর রাজ্য সরকারগুলির রাজস্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কিন্তু, অন্যান্য় বিজেপি শাসিত রাজ্যের মতোই এবার বাংলায়ও মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়ার নীতিতে বড় পরিবর্তন আসছে। মঙ্গলবার, কল্যাণীতে তিন জেলার পর্যালোচনা বৈঠকের পর এই বদলের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
স্কুল, কলেজ, মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের এক কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয় না। দেশের একাধিক রাজ্যে এই নিয়ম কার্যকর রয়েছে। সেই নিয়ম এবার বলবৎ হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে।
মঙ্গলবার কল্যাণীতে ছিল তিন জেলার পর্যালোচনা বৈঠক। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "স্কুল, কলেজ, মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের এক কিলোমিটারের মধ্যে মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না।" তাঁর আশ্বাস, "এই সরকার অন্যভাবে চলবে, ভাবার কোনও কারণ নেই।"
মমতা ব্যানার্জির সরকার রাজস্ব আদায়ের জন্য ঢালাও মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়ার রীতি চালি করেছিল। এমনই অভিযোগ ছিল তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সোচ্চার হয়েছিল তখনকার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি-সহ অন্যান্যরা।
রাজ্যের পালাবদল ঘটেছে। পশ্চিমবঙ্গের মসনদে গেরুয়া শিবির। সরকার পরিচালনা-সহ একাধিক বিষয়ের বিভিন্ন নীতিতে বদল ঘটছে। মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রেও নীতিগত পরিবর্তন আনছে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। এ দিনেই সেকথাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক জাতীয় সড়কের আশেপাশে মদ বিক্রি বন্ধ। অনেকেই দোকান উঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই মদ বিক্রেতারা যাতে রাজ্যের ধর্মীয় স্থান কিংবা স্কুল-কলেজের আশেপাশে ফের দোকান না খোলেন, সে ব্যাপারে আগেই নির্দেশ জারি করেছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
একই নিয়ম জারি আছে মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, অসমেও।