পেটে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে কেরলের একটি সরকারি হাসপাতালে হাজির হন ১৯ বছরের ‘অবিবাহিত’ তরুণী। চিকিৎসকরা পরীক্ষিনিরীক্ষা করতে চাইলেও রাজি হননি তিনি। এর পর হাসপাতালের শৌচাগারেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি। ওই শৌচাগারের জানলা দিয়ে সদ্যোজাতকে ছুড়ে ফেলা দেওয়ার অভিযোগ উঠল ‘কুমারী’ মায়ের বিরুদ্ধে। কেন এমন কাণ্ড করলেন তিনি? কী হল শিশুটির?
দক্ষিণ কেরলের আলাপ্পুঝা শহরের কাছে একটি এলাকার ঘটনা। সেখানে হরিপদ সরকারি হাসপাতালে ভোরের দিকে চাঞ্চল্যকর কাণ্ড ঘটে। জন্মের পরেই সদ্যোজাতকে শৌচালয়ের জানলা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তরুণী মায়ের বিরুদ্ধে। তখনই শিশুর কান্নার শব্দ পান হাসপাতালের কর্মীরা। তারা ছুটে গিয়ে দেখেন, যেখানে ময়লা ফেলা হয়, পথকুকুররা ঘুরে বেড়ায়, সেখানেই শিশুটি পড়ে আছে।
দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে রাতের ডিউটিতে থাকা হাসপাতাল কর্মীরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। শিশুটি সুস্থ আছে বলেই জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর মা ও সদ্যোজাত দু’জনকেই আলাপ্পুঝা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আইসিইউ বিভাগে শিশুটির চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ মনে করছে, অবিবাহিত অবস্থায় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়াতেই সন্তানের থেকে নিজেকে আলাদা করার চেষ্টা করেন তরুণী। তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।