• সেলের জমিতে তৈরি সিপিএম কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার, উচ্ছেদ লালপার্টির অবৈধ পার্কিংও!
    প্রতিদিন | ২৬ মে ২০২৬
  • বার্নপুরের সেলের জমি দখলমুক্ত করতে মঙ্গলবারও চলল বুলডোজার। তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস এদিনও ভাঙা হয়েছে। পাশাপাশি এদিন ভাঙা পড়ল সিপিএম কার্যালয়ও। উচ্ছেদ করা হল সিপিএমের অবৈধ পার্কিংও! বুলডোজার অভিযান চলবে বলেই জানিয়েছে আইএসপি কর্তৃপক্ষ। ​এই নিয়ে গত পাঁচদিনে তৃণমূল কংগ্রেসের মোট ৭টি কার্যালয় ভাঙা পড়ল। এই উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে গোটা শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক চর্চা দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক ও পুলিশি সহযোগিতায় এদিন ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাঙাপাড়া এলাকায় এই অভিযান চলে।

    এদিন বিশাল পুলিশ বাহিনী ওই এলাকায় মোতায়েন ছিল। সকাল থেকেই চলে বুলডোজার অভিযান। তৃণমূল ও সিপিএমের পার্টি অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সিপিএম পার্টি অফিসের ঠিক পেছনেই সেলের জমি দখল করে অবৈধ পার্কিংও সিপিএমের মদতে চলছিল বলে অভিযোগ। সেসবই এদিন গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। প্রাক্তন সিপিআইএম কাউন্সিলর সুবোধ সিং কার্যালয়টি বাঁচানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। এই উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। সুবোধ সিংয়ের দাবি, ২০০৬ সালে কারখানার প্রাচীর নির্মাণের সময় তৎকালীন কোম্পানির উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের (সিনহা সাহেব, রাউত সাহেব প্রমুখ) লিখিত অনুমতি ও ‘নোটশিট’-এর ভিত্তিতেই এই পার্কিং গ্যারেজ তৈরি হয়েছিল। গ্যারেজের লোহার অ্যাঙ্গেল-সহ বহু জিনিসও কোম্পানির পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছিল। 

    এই উচ্ছেদ বিষয়ে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও সিপিএমের অভিযোগ। যদিও সেলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, উচ্ছেদের সব নোটিস আগেই জারি হয়েছিল। তৃণমূল মহিলা কাউন্সিলর জানিয়েছেন, তিনদিন আগেই আইএসপি কর্তৃপক্ষ তাঁদের অফিস খালি করার নোটিস দিয়েছিল। তাঁর কথায়, “সেল নিজের জমি নিয়ে যদি উন্নয়ন করতে চায়, তবে আমরা পক্ষে আছি। কোনওদিন চাই না এখানে উন্নয়ন আটকে থাকুক। এই জমিগুলি খালি করার পর সেখানে যেন প্রকৃত উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়। এটি আর কেউ পুনরায় দখল করতে না পারে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)