• ভোটার তালিকা সংশোধনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা আবেদন মামলায় আজ সুপ্রিম রায়
    এই সময় | ২৭ মে ২০২৬
  • ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা হয়েছিল মামলা। এই নিয়ে একগুচ্ছ আবেদনও জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। SIR কার্যকর করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন এই বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা আবেদনের ওপর এ বার রায় দিতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আজ, বুধবার, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীকে নিয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবে।

    সংবিধানের ৩২৬ নম্বর অনুচ্ছেদ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ এবং তদনুসারে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী বর্তমানে এসআইআর কার্যকর করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে কি না তাও খতিয়ে দেখেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    গত বছর একাধিক রাজ্যে হয় ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)। বিহার, পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে এই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল একাধিক রাজনৈতিক দল। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলি। তবে আদালত SIR প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়নি। বিহার, কেরালা, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সওয়াল করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এই নিয়ে মামলা করা হয়েছিল অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (ADR) নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তরফেও। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি এই নিয়ে রায় সংরক্ষিত রেখেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছিল, ওই কাজ পরিচালনা করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের (ECI) আছে কি না, সেই আইনি প্রশ্নটি নির্ধারণ করবে আদালত। যদিও নিজেদের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন-ও।

    গত বছর জুন মাসে, বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন চলার সময়েই বেশির ভাগ আবেদন জানানো হয়েছিল। এই নিয়ে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল, এনসিপি (এসপি) দলের সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে-রাও।

    প্রথম ধাপে এসআইআর (SIR) পরিচালিত হয়েছিল বিহারে। অনেক নাম বাদ যাওয়ার কারণে শুরু হয় বিতর্ক। তবে, গত বছর ১২ অগস্ট শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল যে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেওয়া নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক এক্তিয়ারে মধ্যে পড়ে।

    গত বছর শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট, সংশোধিত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ডকে নথি হিসেবে গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র হবে না আধার কার্ড। ভোটারদের দাখিল করা আধার কার্ডের সত্যতা ও যথার্থতা যাচাই করার অধিকার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের থাকবে বলেও জানানো হয়েছিল।

  • Link to this news (এই সময়)