• গভীর রাতে ঝড়ের তাণ্ডব, মোকাবিলায় পথে বিধায়ক
    এই সময় | ২৭ মে ২০২৬
  • এই সময়, বর্ধমান ও আউশগ্রাম: সােমবার রাতের প্রবল কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ও আউশগ্রাম। ঝড়ের দাপটে বহু গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে, ভেঙেছে সীমানা প্রাচীর ও চালার ঘর। তবে বড়সড় বিপর্যয়ের পর রাতেই দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভাতার এলাকায় উদ্ধারকাজে নামেন স্থানীয় বিধায়ক সৌমেন কার্ফা। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তিনি দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষকেও এই বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

    মঙ্গলবার সকাল থেকে জেসিবি মেশিন ও আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে ভাতার বাজার, নর্জা, নতুনগ্রাম ও কুলনগর এলাকায় ভেঙে পড়া শিরীষ গাছ ও ইলেকট্রিক পোল সরানোর কাজ চলে। বিধায়ক সৌমেন কার্ফা বলেন, 'ঝড়ে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। এত জায়গায় পড়ে যাওয়া গাছ অল্প কিছু লোকের পক্ষে কাটা সম্ভব নয়, তাই স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়েছিলাম।'

    বিধায়কের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ভাতার কিষান মান্ডির ব্যবসায়ী শেখ আরোজ বলেন, 'রাতেই বিধায়ক লোকজন এনে লাইন কেটে তার সরিয়ে দিয়ে যায়।' কুলনগরের বাসিন্দা অনাদি সাহার মতে, 'যে ভাবে রাস্তায় নেমে সৌমেন কাজ শুরু করেছে সেটা দেখে আমাদের ভালো লেগেছে। ও যে প্রচারে বলেছিল আমি ভাতারের ভোলানাথ সেন হতে চাই, এটা তারই একটা লক্ষণ।'

    অন্য দিকে, আউশগ্রামের গুসকরা ও সংলগ্ন এলাকাতেও ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রবল ঝড়ে গুসকরার একটি চালকলের বিশাল সীমানা প্রাচীর ভেঙে রেল আন্ডারপাস সংলগ্ন রাস্তায় পড়লে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আউশগ্রামের কেশবপুর মোড়ে একটি বড় অ্যাসবেস্টসের চালাঘর উল্টে গেলেও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন সেখানে কর্মরত শ্রমিকরা।

  • Link to this news (এই সময়)