• মা তারা ও বাবা বৈদ্যনাথ ধামের দূরত্ব কমছে এক ধাক্কায়! নতুন জাতীয় সড়ক নিয়ে বিরাট চমক দিল সরকার
    News18 বাংলা | ২৭ মে ২০২৬
  • সাধক বামদেবের অন্যতম তীর্থভূমি তারাপীঠ মা তারার মন্দির ভ্রমণের জন্য প্রত্যেক দিন দেশ বিদেশের বহু পর্যটকেরা ছুটে আসেন। তবে এবার তারাপীঠ মা তারার মন্দির এবং অন্যতম শৈবতীর্থ দেওঘরের সঙ্গে যোগাযোগ আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যে পালাবদলের পরেই সাধারণ মানুষের বহুদিনের দাবি মেনে নতুন জাতীয় সড়ক নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    নতুন সড়ক নির্মাণ হলে বীরভূম জেলার অন্যতম সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ মা তারার মন্দিরের সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শৈবতীর্থ দেওঘরের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে এবং দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যাবে। শুধু তাই নয় এর পাশাপাশি এই সড়ক নির্মাণ হলে বিশেষ করে পর্যটন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় প্রভাব পড়বে বলেও আশাবাদী প্রশাসন। বীরভূম জেলার সাংগঠনিক সহ-সভাপতি স্বরূপ রতন সিনহা বলেন “বীরভূম জেলার রামপুরহাটের মাঝখন্ড গ্রাম থেকে শুরু হয়ে ১১৪এ জাতীয় সড়ক ঝাড়খণ্ডের ভিতরে প্রবেশ করবে।”

    তিনি আরও বলেন “ঝাড়খণ্ডের ভিতরে প্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডের দুমকার কালিপাথর গ্রামে এই রাস্তাটি শেষ হবে। মোট ১৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হবে যার জন্য আনুমানিক খরচ হতে পারে ৯ কোটি টাকার কাছাকাছি। এই ১৫ কিলোমিটার এর মধ্যে ৯ কিলোমিটার বীরভূম জেলার এবং ৬ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডের অংশে রাস্তা নির্মাণ হবে। খুব তাড়াতাড়ি জমি ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করার পর রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হবে।”প্রশাসনের মতে এই জাতীয় সড়ক নির্মাণ হলে শুধুমাত্র দুই তীর্থ ভূমির মধ্যে যোগাযোগ উন্নত হবে সেটা না।

    এর পাশাপাশি রাস্তার দুই ধারে লজ, খাবারের দোকান, তৈরি হলে একাধিক ছোট ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে। যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান মিলবে। এ বিষয়ে তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েত এবং হোটেল ব্যবসায়ী পুলক চট্টোপাধ্যায় জানান “আমরা অনেকদিন থেকেই চেয়েছিলাম ডবল ইঞ্জিন সরকারের, আর এই সরকার হওয়ার পরেই এই যে রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে তাতে বিশেষ করে তারাপীঠ এর সঙ্গে দেওঘরের যোগাযোগ উন্নত হলে তারাপীঠে পর্যটনের সংখ্যা বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্যর উন্নতি হবে।”
  • Link to this news (News18 বাংলা)