• শুরু হবে জনগণনা, দায়িত্বে কারা? জারি হলো বিজ্ঞপ্তি
    এই সময় | ২৭ মে ২০২৬
  • এই সময়: রাজ্যে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যে ক’টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো জনগণনার কাজ শুরু করা। তাঁর অভিযোগ ছিল, কেন্দ্র বারবার বলার পরেও আগের সরকার জনগণনার কাজ ফেলে রেখেছিল। তবে আর কালক্ষেপ যে করা হবে না, ১১ মের বৈঠকের পরেই ঘোষণা করেছিলেন শুভেন্দু।

    মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণার পরে ১৮ মে জনগণনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের সেন্সাস সেল। তাঁদের তরফ থেকে জনগণনার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নিয়োগ সংক্রান্ত দু’টি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    ওই বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণ ও শহর— দুই স্তরের জন্যই আলাদা করে সেন্সাস অফিসারদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। জেলাস্তরে জনগণনার সর্বোচ্চ দায়িত্ব বা ‘প্রিন্সিপাল সেন্সাস অফিসার’-এর ভূমিকা পালন করবেন সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকরা। পাশাপাশি, ডিভিশনাল কমিশনাররা ‘ডিভিশনাল সেন্সাস অফিসার’ এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকদের এক জন ‘ডিস্ট্রিক্ট সেন্সাস অফিসার’-এর দায়িত্ব সামলাবেন।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মহকুমা স্তরে এসডিও-রা সাবডিভিশনাল সেন্সাস অফিসারের দায়িত্বে থাকবেন। ব্লক স্তরে বিডিও-দের পদ হবে ‘চার্জ সেন্সাস অফিসার’-এর। শহর ও পুরসভা এলাকাগুলির ক্ষেত্রে কর্পোরেশনে মিউনিসিপ্যাল কমিশনাররা ‘প্রিন্সিপাল সেন্সাস অফিসার’ হিসেবে কাজ করবেন।

    কর্পোরেশনের অতিরিক্ত বা ডেপুটি মিউনিসিপ্যাল কমিশনারদের ‘সিটি সেন্সাস অফিসার’ এবং পুরসভা বা নোটিফায়েড এলাকার এগজি়কিউটিভ অফিসারদের ‘টাউন সেন্সাস অফিসার’-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বা ডেপুটি কমিশনারের নীচের স্তরের আধিকারিকেরা ‘ওয়ার্ড সেন্সাস অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জনগণনার কাজে নিযুক্ত কোনও আধিকারিক বা কর্মী দায়িত্ব পালন না–করলে অথবা অন্য কাউকে দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে, তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

  • Link to this news (এই সময়)