কাঁটাতারের বেড়া দিতে আইনি জট, কাজের গতি কমিয়ে দিচ্ছে ১৯৫০ সালের চুক্তি
News18 বাংলা | ২৭ মে ২০২৬
সংবিধানের সংশোধনেই জট! সীমান্তবর্তী উন্মুক্ত এলাকায় কাঁটা তারের বেড়ার নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগষ জেলার দক্ষিণ বেরুবাড়ির উন্মুক্ত ১৯ কিমি সীমান্ত এলাকা এখন জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের কাছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা এই এলাকায়। সেই ঝুঁকি ঠেকাতে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে জোর দিলেও, আইনি জটিলতায় থমকে রয়েছে বেড়া ও সড়ক নির্মানের জন্য জমি অধিগ্রহনের গতি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলার অধীনে থাকা শুধুমাত্র দক্ষিণ বেরুবাড়ির সীমান্ত অঞ্চলে এখনও কাঁটাতারের বেড়া সম্পূর্ণ নয়। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যা বেশ উদ্বেগজনক। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হলেও, সমস্যার সূত্রপাত ১৯৫০ সালে ভারতের সংবিধানের ১০০ তম ধারা এই সীমান্ত অঞ্চলে লাঘু হওয়াকে ঘিরে।
এই সংশোধনের মাধ্যমেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছিল। যার জেরে এখন জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি জট তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলা শাসক (ভূমি ও ভূমি রাজস্ব) হরিশ রশীদ জানান, দক্ষিণ বেরুবাড়ির উন্মুক্ত সীমান্ত এলাকায় দ্রুত জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে পূর্ববর্তী চুক্তি ও সংশোধনের কারণে কিছু সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে এবং রাজ্য থেকে প্রয়োজনীয় মানচিত্র এলেই সরকারি প্রক্রিয়ায় জমি অধিগ্রহণ শুরু হবে। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও বাড়ছে উদ্বেগ। সীমান্ত সুরক্ষার কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি তুলছেন তারা।