• হাসপাতাল থেকে দেওয়া ওষুধ ছেলেকে খাওয়াতে গিয়ে বুক কেঁপে উঠল মায়ের, কেলেঙ্কারির কাণ্ড নদিয়ায়
    News18 বাংলা | ২৭ মে ২০২৬
  • মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয় ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠল নবদ্বীপ মহেশগঞ্জ গ্রামীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে। অভিযোগ নবদ্বীপ ব্লকের মহেশগঞ্জ মায়াপুর মোড় এলাকার বাসিন্দা এক গৃহবধূ ঝুমা দেবনাথ তাঁর পাঁচ বছরের ছেলের পেট ব্যাথা অনুভব করায় মহেশগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনেন। সেখানেই ডাক্তার  দেখান তিনি।

    এরপর সেই কর্তব্যরত চিকিৎসক কিছু ওষুধ লিখে দেন, যা হাসপাতালের তরফেই দেওয়া হয়। অভিযোগ, গৃহবধূ বাড়ি গিয়ে ছেলেকে ওষুধ খাওয়াতে গেলে দেখেন ওষুধের মান খারাপ। একাধিক ওষুধের অবস্থা খারাপ নজরে আসতেই ওষুধের প্যাকেটের গায়ে নজর করেন তিনি। তারপরেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় তাঁর। দেখা যায় ওষুধের প্যাকেটের গায়ে লেখা মেয়াদ শেষের তারিখ লেখা চলতি বছরের এপ্রিল মাসের।

    সেই সময় ওষুধগুলি ছেলেকে না খাইয়ে রেখে দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে, তা নিয়ে মহেশগঞ্জ হাসপাতালে এসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথা বিএমওএইচ ডা এলিশা দাসকে ঘটনাটি জানানো হয়। একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয় বলেও জানা গিয়েছে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে  বিএমওএইচ সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি। তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রতি ১৫ দিন অন্তর ওষুধের স্টক চেক করা হয়।

    কীভাবে একমাস আগের মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ রোগীকে দেওয়া হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এও জানা যায়, এই ঘটনা চাওর হতে হাসপাতালের তরফেও বর্তমানের সরবরাহ ওষুধের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। তবে এখন প্রশ্ন ওই ব্যাচের আর কত ওষুধ কত মানুষকে দেওয়া হয়েছে। এই মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ খেয়ে আগামী দিনে কারও কোনও বড় ধরনের শারিরীক অসুস্থতা হলে এর দায় কে নেবে, তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন তুলছেন। হাসপাতালের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কীভাবে এত বড় ভুল হল, তা নিয়ে উঠতে শুরু হয়েছে সমালোচনা।
  • Link to this news (News18 বাংলা)