বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল গ্রেপ্তার, পুরী থেকে গ্রেপ্তার
দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৭ মে ২০২৬
গ্রেপ্তার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল। পুরীর এক হোটেল থেকে তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেপ্তার করে রাজ্যের এসটিএফ এবং ডায়মন্ড হারবারের পুলিশের যৌথ বাহিনী। তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু করেছে পুলিশ। সম্প্রতি বিষ্ণুপুরের এই বিধায়কের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, তিনি অন্য দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে হুমকিমূলক মন্তব্য করছেন। ওই ঘটনার পর তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
হুমকির অভিযোগের ভিত্তিতে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ১৪ মে তাঁর পৈলানের প্রাসাদোপম বাড়িতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে খবর, পুলিশ আসার খবর পেয়েই বাড়ি ছেড়ে পালিযে যান বিধায়ক। তার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন তিনি। তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ।
তবে তাঁর কোনও হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না। সূত্রের খবর, দিন দুয়েক আগে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ জানতে পারে, পুরীর ‘ব্লু লিলি’ হোটেলে রয়েছেন দিলীপ। সেই সূত্র ধরেই পুরীর হোটেলে হানা দেয় এসটিএফ এবং ডায়মন্ড হারবার পুলিশ। হোটেলে গিয়ে রেজিস্টার ঘেঁটে দিলীপের খোঁজ মেলে। তার পরেই তাঁর ঘরে হানা দিয়ে বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে আটক করে পুলিশ।
এর আগে দিলীপের ছেলে অর্ঘ্য মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এলাকায় অশান্তি পাকানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমনকি গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়। দিলীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে আবেদনও করেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া একাধিক এফআইআর খারিজের আর্জিও জানান তিনি। তবে এর মধ্যেই পুরী থেকে তাঁকে আটক করল পুলিশ।