বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিতে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি করা নিয়ে আপত্তি তুললেন কর্তৃপক্ষ। এ ভাবে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি ‘রীতিবিরুদ্ধ’, মঙ্গলবার শান্তিনিকেতনের শ্যামবাটি বাজারে এ কথা প্রচার করলেন বিশ্বভারতীর নিরাপত্তা বিভাগ ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিতে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়েছে বিক্রেতাদেরও।
শান্তিনিকেতনে মাংস বিক্রির অনেক দোকান রয়েছে। এর আগে বোলপুর লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ প্রয়াত সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় এ ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছিলেন। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। ১৫ বছরের তৃণমূলের সরকারকে সরিয়ে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিল বিশ্বভারতী।
বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক অতীগ ঘোষ বলেন, ‘বিশ্বভারতীর জায়গায় কোথাও মাছ-মাংস বিক্রি হতো না। এসএসডিএ বিশ্বভারতীর জমিতে একটা নির্মাণ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই কাজ আলোচনা সাপেক্ষে বন্ধ ছিল। সরকার পাল্টেছে। তাই আলোচনা এখনও সেই তিমিরেই রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেখা যায় আশ্রমের সেই জায়গায় কিছু মাংসের দোকান খোলা হয়েছে। বিশ্বভারতীর জায়গায় মাছ-মাংস বিক্রি রীতিবিরুদ্ধ। তাই বিক্রেতাদের নিষেধ করা হয়েছে।’
খাসির মাংসের ব্যবসায়ী উৎপল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা সাধারণত খাসির মাংস বিক্রি করি, প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে। তা বন্ধ করতে বলে গেল। আমরা আইন মানব।’