• ‘মেয়ের কেরিয়ারের কথা ভেবে...’, RG Kar কাণ্ড নিয়ে এ বার বিস্ফোরক শান্তনু সেন
    এই সময় | ২৭ মে ২০২৬
  • Big Breaking: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নতুন রাজ্য সরকারকে সাহায্য করতে চাইলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চাইলে, তাঁকে আরজি করের ঘটনার তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত বলে বুধবার জানিয়েছেন তিনি। বিস্ফোরক শান্তনুর কথায়, ‘মেয়ের কেরিয়ারের কথা ভেবে মুখ বন্ধ রেখেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চাইলে তাঁকে আরজি করের ঘটনা নিয়ে অনেক তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারি। মেয়ে এখন ডাক্তার হয়ে গিয়েছে। আমার আর কোনও পিছুটান নেই।’

    এ দিন একাধিক সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন শান্তনু সেন। চিকিৎসক অভীক দে, বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। চিকিৎসক সুদীপ্ত রায় এবং আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তিনি। আগেও সন্দীপ ঘোষের নানা কুকীর্তি সামনে এনেছিলেন বলে জানিয়েছেন শান্তনু। তাঁর খেদ, ‘সেদিন আমার দেওয়া তথ্য সঠিক ভাবে দেখা হলে, এ দিনের সামনা সামনি হতে হতো না।’

    সন্দীপ ঘোষের মাথার উপর কারও হাত ছিল বলেও সন্দেহ করেছেন তিনি। তবে তিনি কে, সেটা স্পষ্ট করে বলেননি। শান্তনু বলেন, ‘সন্দীপ ঘোষকে প্রাথমিক পর্যায় সাসপেন্ড না করে অন্য মেডিক্যাল কলেজে প্রিন্সিপাল করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে তো প্রমাণ হয় যে, সন্দীপ ঘোষের মাথার উপর কারও ছত্রছায়া ছিল, যাঁরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সন্দীপ ঘোষকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে।’

    তাঁর মেয়েকেও বার বার সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শান্তনু সেন বলেন, ‘আমার মেয়ে যখন আরজি করে পড়েছে। তাঁর ছাত্র জীবনকে তছনছ করা হয়েছে। অনার্স পাওয়ার পরেও ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল তাঁর মেয়েকে। শান্তনু সেন জানাচ্ছেন, তিনি প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর সাসপেনশনের খাঁড়া নেমে এসেছিল। তাই মেয়ের ডাক্তারির ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি আতঙ্কে ছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। শান্তনু সেন বলেন, মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই চুপ করে থেকেছি।’

  • Link to this news (এই সময়)