• ঝুলিয়ে মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা বিশ্বভারতীর, নোটিস হাতে পেয়ে কী সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের?
    প্রতিদিন | ২৮ মে ২০২৬
  • হেরিটেজ বাফার জোনে ঝুলিয়ে মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা বিশ্বভারতীর। শ্যামবাটিতে ঝুলিয়ে মাংস বিক্রি বন্ধে মাইকিং করে সতর্কতা। ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাংস বিক্রির নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর হেরিটেজ বাফার জোনের শ্যামবাটি এলাকায় খোলাখুলি ও ঝুলিয়ে মাংস বিক্রি নিয়ে কড়া অবস্থান নিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। আদালতের নির্দেশ ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি মাথায় রেখে ওই এলাকায় প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে মাংস বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, শ্যামবাটি বাজার সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন ব্যবসায়ী মাংস বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি নজরে আসতেই পদক্ষেপ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের।

    বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ জানান, “নির্মীয়মাণ মার্কেটের অংশটি বিশ্বভারতীর হেরিটেজ বাফার জোনের মধ্যে পড়ে। আগে ওই এলাকা থেকে ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়া হলেও কয়েকজন ফের সেখানে ব্যবসা শুরু করেন। তাঁদের ওই স্থানে দোকান না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে পুরসভার সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে রাজ্যজুড়েই খোলা অবস্থায় মাংস বিক্রির উপর কড়াকড়ি চলছে। সেই সঙ্গে শান্তিনিকেতন আশ্রম এলাকার পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতেই প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি বন্ধে মাইকিং করে সতর্কতা করা হয়েছে ব্যবসায়ীদের।” অভিযোগ, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকা অংশের সামনেই কয়েকটি মাংসের দোকান খোলাখুলি ব্যবসা চালাচ্ছিল।

    স্থানীয়দের একাংশের দাবি, খোলা অবস্থায় মাংস বিক্রির ফলে ধুলোবালি, মাছি ও দুর্গন্ধের কারণে জনস্বাস্থ্যের সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। ওই এলাকায় প্রায় একাধিক খাসি ও মুরগির দোকান রয়েছে। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে বিশ্বভারতী প্রশাসনের কড়াকড়িকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ী উৎপল মুখোপাধ্যায় বলেন, “প্রথমে নিরাপত্তারক্ষীরা এসে সব সরিয়ে নিতে বলেন। পরে বিশ্বভারতীর জানান, এভাবে আধিকারিকরা খোলাখুলি বা ঝুলিয়ে মাংস বিক্রি করা যাবে না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিয়েছি।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)