• চোলাইয়ের বিরুদ্ধে জেলা জুড়ে অভিযান, নির্দেশ DM-এর
    এই সময় | ২৮ মে ২০২৬
  • এই সময়, বর্ধমান:অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে পূর্ব বর্ধমান জেলার আবগারি দপ্তরের কাছে এর আগে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। রাজ্যে পালাবদলের পরে সেই চিত্র বদলাল। অভিযান শুরু হলো চোলাই মদের বিরুদ্ধে।

    বর্ধমান শহর ছাড়াও জামালপুর, মেমারি, রায়না–সহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চোলাই মদের কারবার রমরমিয়ে চলছে বলে অনেকেই জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানান। সম্প্রতি মেমারি ও বর্ধমানের বেশ কয়েক জন মহিলা জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে বলেন, মদ খেয়ে কী ভাবে স্বামী ও ছেলেরা তাঁদের উপরে অত্যাচার চালাচ্ছে। অভিযোগ পেয়ে জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আবগারি দপ্তরের দায়িত্ব দেন অতিরিক্ত জেলাশাসক প্রতীক সিংকে। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর নেতৃত্বে জেলা আবগারি দপ্তরের সুপার ও আধিকারিকরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অতর্কিতে অভিযান চালান বর্ধমান থানা এলাকার বিজয়রাম রেলপাড়া, পালিতপুর–সহ পাঁচটি জায়গায়। ধরা পড়ে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ।

    জানা গিয়েছে, এই অভিযানে ৪৫ লিটার চোলাই মদ এবং চোলাই তৈরির দু’হাজার ৬০০ লিটার গুড় নষ্ট করা হয়েছে। তিনটি অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি, একটি গ্যাস সিলিন্ডার এবং একটি ওভেন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি বিজয়রাম রেলপাড়া, কুড়ের পাড়া ও কেশিয়াপাড়া এলাকায় তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

    অন্য দিকে, মেমারি বিধানসভা এলাকাতেও একই ভাবে চোলাই মদের বিরুদ্ধে মহিলারা একত্রিত হয়ে বিধায়কের কাছে গিয়েছেন। মেমারির বিধায়ক মানব গুহ বলেছেন, ‘মেমারি জুড়ে অবৈধ চোলাই মদের রমরমা কারবার চলছে, এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই। তৃণমূলের লোকরা চোলাই তৈরির সব ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, নিজেরাও খেয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে স্বামী সবার প্রথমে অত্যাচার চালায় স্ত্রীর উপরে। সেই মহিলারাই নিজেদের বাঁচাতে আমার কাছে এসেছিলেন। আমি ওঁদের পুলিশকে জানাতে বলেছি। চোলাই বন্ধ করতে সাত দিন সময় দিয়েছি পুলিশকে।’

  • Link to this news (এই সময়)