• পণের দাবিতে খুনের অভিযোগ, লখনউয়ে শ্বশুবাড়িতে মৃত্যু বধূর
    বর্তমান | ২৮ মে ২০২৬
  • লখনউ: ফের শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার বধূর ঝুলন্ত দেহ। এবারের ঘটনা লখনউয়ের। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে পণের দাবিতে অত্যাচারের ফলে মৃত্যু হয়েছে বছর ছাব্বিশের শ্বেতা সিংয়ের। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও গলায় ফাঁস লেগে মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। শ্বেতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে, তাঁর স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

    মাত্র ছ’মাস আগে লখনউয়ের ভূপেন্দ্র সিং-এর সঙ্গে বিয়ে হয় শ্বেতার। বিয়েতে ১০ লক্ষ টাকা নগদ ও স্করপিও গাড়ি পণ হিসাবে চেয়েছিল ভূপেন্দ্রর পরিবার। নিজের সাধ্যের বাইরে খরচ করে বিয়ে দিলেও, পণের দাবি মেটাতে অক্ষম হন শ্বেতার বাবা উমেশ কুমার সিং। অভিযোগ, বিয়ের দিনই সবার সামনে চরম অপমান করা হয় তাঁকে। শ্বেতার উপর শুরু হয় অত্যাচার। তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। সারাদিন বাড়ির কাজ করতে হত। এমনকি নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পেতেন না শ্বেতা। মেয়ে যে অত্যাচারিত তা জানতেন শ্বেতার বাবা-মা। গত ২৫ মে শ্বেতার বাড়িতে খবর যায়, তাদের মেয়ে আর নেই। এরপরই পুলিশে অভিযোগ জানান তাঁরা। তদন্তে নেমে  শ্বেতার স্বামী সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    এদিকে, গ্রেটার নয়ডায় পণের দাবিতে ৯ মাস পুরানো খুনের মামলায় নয়া মোড় এসেছে। অতিরিক্ত পণের দাবিকে কেন্দ্র করে নিক্কি ভাটি নামে এক তরুণীকে স্বামী বিপিন, শাশুড়ি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মারধর করে পুড়িয়ে মারে। বিপিন, তাঁর বাবা-মা ও বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই পরিবারের বধূ ছিলেন নিক্কির বোন কাঞ্চন। অভিযোগ ওঠে কাঞ্চনও দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারের শিকার। সম্প্রতি নিক্কির পরিবার ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী, কাঞ্চন আবার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাবেন। নিক্কির সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে তাঁদের নামে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হবে। পাশাপাশি, নিক্কির পরিবার আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করবে।
  • Link to this news (বর্তমান)