• রাজ্যসভায় রুচি নেই সিদ্ধারামাইয়ার, বিধায়কই থাকতে চান: সূত্র
    বর্তমান | ২৮ মে ২০২৬
  • বেঙ্গালুরু, ২৮ মে: বিধায়কদের একাংশের বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। এই অবস্থায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বও পাশে নেই। রীতিমতো টালমাটাল সিদ্ধারামাইয়ার গদি। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর ইস্তফা দেওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ইস্তফাপত্র তুলে দিতে পারেন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা। জানা গিয়েছে, সিদ্ধারামাইয়াকে রাজ্যসভায় পাঠাতে চান রাহুল গান্ধীরা। পাশাপাশি কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করবেন তিনি। যদিও এই মুহূর্তে রাজ্য রাজনীতি ছেড়ে দিল্লিতে যেতে রাজি নন বর্ষীয়ান এই নেতা। 

    বর্তমান বিধানসভায় মেয়াদ আর দু’বছর। ততদিন বিধায়ক হিসাবেই থেকে যেতে চান বলে সিদ্ধারামাইয়া। একথা জানিয়ে দিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। বিশ্বস্ত সূত্র উদ্ধৃত করে এমনই জানিয়েছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

    সিদ্ধারামাইয়া ইস্তফা দেওয়ার পরে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেবেন উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। সব পরিকল্পনামাফিক চললে আগামী শনিবার তাঁর শপথগ্রহণের সম্ভাবনা। এবছর কর্ণাটকে রাজ্যসভার তিনটি আসন খালি হবে। তার মধ্যে একটিতে সিদ্ধারামাইয়াকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্য দু’টি আসন বরাদ্দ হয়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং শিবকুমারের দাদা ডি কে সুরেশের জন্য।

    সেই ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্নে জটিলতা শুরু হয়েছে কর্ণাটকে। প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদ দাবি করেন শিবকুমার। তবে তাঁকে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী করে প্রবীণ রাজনীতিক তথা হাই কমান্ডের আস্থাভাজন সিদ্ধারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়। এও শোনা যায়, আড়াই বছর সিদ্ধারামাইয়া এবং আড়াই বছর শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হবেন এমনই রফা হয়েছিল। তবে এই রফার কথা কখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি কংগ্রেস। সিদ্ধার আড়াই বছরের মেয়াদ শেষ হতেই শিবকুমার আবার মুখ্যমন্ত্রী পদ চেয়ে বসেন। অনেক টানাপোড়েনের পরে সেই দাবি মেনে নিয়েছেন রাহুল গান্ধীরা।
  • Link to this news (বর্তমান)