• কল্যাণের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকারের কাছে নালিশ কাকলির, পাল্টা চিঠি দেওয়ার হুঁশিয়ারি TMC সাংসদের
    এই সময় | ২৮ মে ২০২৬
  • সমস্ত দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই বেসুরো তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এ বার তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে নালিশ ঠুকলেন কাকলি। স্পিকারকে চিঠি দিয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন, লোকসভায় তাঁর উদ্দেশে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেছেন কল্যাণ। লোকসভার স্পিকারকে পাল্টা চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    লোকসভার অধ্যক্ষকে দেওয়া চিঠিতে কাকলি লিখেছেন, ‘আমি আপনার অনুমতি চাইছি, লোকসভার সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার জন্য, যিনি আমাকে বারবার লোকসভার ভেতরে মৌখিক ভাবে অপমান করেছেন।’ শুধু তাঁকেই নয়, একাধিক মহিলা সাংসদকে অপমান করেছেন বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    গত ৪ মে  বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার সচেতক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। এর পর থেকেই বেসুরো হন কাকলি। সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন পদ-সহ দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কাকলি। সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মহিলা সাংসদের প্রতি অশালীন আচরণের অভিযোগ তুলেছিলেন আগেই। কাকলি বলেছিলেন, ‘যে পদে থেকে মহিলা সাংসদদের প্রতি অন্য এক অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না, সেই পদে থাকার অর্থ হয় না।’

    এই বিষয়ে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করা হচ্ছে, সেগুলো কোন সময়ের? দুর্ব্যবহারের শিকার হওয়ার পরেও তিনি লোকসভার স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেননি কেন? কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উদ্দেশ্য অন্য কিছু, তাই এসব বলা হচ্ছে। আমিও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি লিখব। নারদা কেলেঙ্কারি এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মামলার সঙ্গে যুক্ত ৫ লাখ টাকার ঘুষ মামলার কী হবে?’

  • Link to this news (এই সময়)