এবার TMC পার্টি অফিসে প্রচুর আধার কার্ড মিলল, কী চলত?
আজ তক | ২৮ মে ২০২৬
কলকাতায় তৃণমূলের বন্ধ পার্টি অফিসের আলমারিতে বোঝাই প্রচুর আধার কার্ড। সেই কার্ড উদ্ধার করলেন এলাকারই বাসিন্দারা। আর এই ঘটনা সামনে আসার পরই তৃণমূলের সঙ্গে ভুয়ো আধার তৈরি চক্রের যোগ নিয়ে ফের সরব হয়েছে শাসকদল বিজেপি।
ওদিকে ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার ট্যাংরা এলাকাতে। এলাকাবাসীদের প্রশ্ন, এই আধার কার্ডগুলি কাদের এবং এখানে কীভাবে এল, কী কাজে ব্যবহার হতো? যদিও এই সব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।
কোথাকার ঘটনা?
যতদূর খবর, ট্যাংরা থানার অন্তর্গত ইস্ট কুলিয়া রোড এলাকায় অবস্থিত তৃণমূলে এই পার্টি অফিস। ৪ মে ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই এই পার্টি অফিস বন্ধ ছিল বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আর এমন পরিস্থিতিতে একাংশের এলাকাবাসীই বন্ধ পার্টি অফিসের তালা ভেঙে ফেলে। তারাই অফিসের ভিতরে প্রবেশ করেন। সেই পার্টি অফিসের ভিতরে উপস্থিত একটি আলমারি থেকে বহু আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়। এমনটাই দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রসঙ্গত, কয়েক বছর ধরেই বিজেপি অভিযোগ করে আসছিল যে বাংলায় জাল আধার কার্ড বানানোর একটা চক্র রয়েছে। এই চক্র বাংলাদেশি থেকে শুরু করে অবৈধ রোহিঙ্গাদের আধার কার্ড বানিয়ে দেয়। তারপর ধীরে ধীরে রেশন কার্ড, প্যান, এমনকী ভোটার কার্ড বানিয়ে দেওয়ার অভিযোগও ছিল। আর গোটা চক্রটি তৃণমূল কংগ্রেসের অঙ্গুলিহেলনে চলে বলেও দাবি করেছে বিজেপি।
এমতাবস্থায় খাস কলকাতায় তৃণমূলেরই এক পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হল প্রচুর আধার কার্ড। যদিও এই কার্ডগুলি কাদের, এগুলি আসল না জালি, কী কাজে ব্যবহৃত হতো, সেই সব সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। এমনকী এখনও পর্যন্ত বিষয়টা নিয়ে মুখ খোলেনি পুলিশও।
হোল্ডিং সেন্টার
মাথায় রাখতে হবে অবৈধ বাংলাদেশিদের নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এই সরকার একবারে ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতি নিয়েছে। সেই মতো রাজ্যে সব জেলায় গড়ে তোলা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টার। সেখানেই অবৈধ বাংলাদেশিদের রাখার কথা। তারপর সোজা বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হবে এই সব অনুপ্রবেশকারীদের।
আর শুভেন্দু সরকার এই নীতি ঘোষণার পরই হইচই পড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তে হাজির হচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা। তারা দেশে ফেরার জন্য তৈরি। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অবৈধ বাংলাদেশিদের থেকে মিলছে জালি আধার, রেশন এবং ভোটার কার্ড।