১৫ দিন পর সিবিএসই ‘দুর্নীতি’র দায়স্বীকার শিক্ষামন্ত্রীর, নিলেন ‘সব ঠিক করে দেওয়া’র দায়িত্ব
প্রতিদিন | ২৮ মে ২০২৬
সিবিএসই ‘দুর্নীতি’র দায়স্বীকার করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ১৫ দিন পর মুখ খুললেন তিনি। আশ্বাস দিয়ে জানালেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। সমাধান খুঁজে বের করা হবে।
গত ১৩ মে সিবিএসই-র ফলপ্রকাশের পর থেকেই মূল্যায়নের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সমাজমাধ্যমে সরব হন পরীক্ষার্থীরা। অভিযোগ, উত্তরপত্রের প্রতিলিপি দেখানোর ক্ষেত্রে গাফিলতি রয়েছে। বিতর্কের মাঝেই নড়েচড়ে বসে সর্বভারতীয় বোর্ড। যদিও এবিষয়ে এতদিন কোনও মন্তব্য করেননি ধর্মেন্দ্র। ১৫ দিন পর বৃহস্পতিবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, “সমস্ত দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। সমাধান খুঁজে বের করা হবে। আমরা সবাই কাজ করছি।
মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়ম পাওয়া গেলে কাউকে রেয়াত করা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম বা ওএসএম একটি প্রগতিশীল পদক্ষেপ। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তা গ্রহণ করছে। এই ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের উপকারের জন্যই তৈরি করা হয়েছে, যাতে সবকিছু স্বচ্ছ থাকে।”
সিবিএসই-র এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তোপ দেগেছে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীও। ১৩ মে সিবিএসই-র দ্বাদশের ফল প্রকাশের পর বেদান্ত শ্রীবাস্তব নামে এক পড়ুয়া দেখে সে পদার্থবিদ্যায় খুবই কম নম্বর পেয়েছে। এরপর নিজের উত্তরপত্রটি দেখতে চেয়েছিল সে। বোর্ডের তরফ থেকে পাঠানো উত্তরপত্রে হাতের লেখা দেখেই সে বুঝতে পারে, এটা আদৌ তার পরীক্ষার খাতাই নয়। বেদান্ত এক্স হ্যান্ডলে ক্ষোভ উগরে দিয়ে লেখে, ‘সারা বছর পড়াশোনা করলাম। ঘুম, মনের শান্তি, ঘুরতে যাওয়া সব কিছু পরীক্ষার জন্য ত্যাগ করেছিলাম। আর এখন আমি বুঝতে পারছি না, আমার আসল পরীক্ষার খাতাটা কোথায় গেল। পড়ুয়াদের কি এটাই প্রাপ্য?’ এরপরই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ধর্মেন্দ্র।