• ‘সবই সরলীকরণ হবে’, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম নিয়ে মন্তব্য রাজ্যের মন্ত্রীর
    এই সময় | ২৮ মে ২০২৬
  • বুধবার নবান্নে 'অন্নপূর্ণা যোজনা'র আবেদনপত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । সেখানে ছিলেন রাজ্যের নারী-শিশু ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। যেহেতু উপভোক্তা তালিকায় গরমিল ধরা পড়েছে, সেই জন্য আবেদনপত্র যাচাই করে তবেই উপভোক্তা তালিকা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও প্রায় ১২ পাতার আবেদন পত্র নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। সঙ্গে এত ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে জেনেও অনেকেই চিন্তায় পড়েছেন। সর্বত্র আলোচনা চলছে, এই ফর্ম নির্ভুল ভাবে একা ফিল আপ করা বেশ কঠিন।

    বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, কেবলমাত্র উপযুক্ত প্রাপকরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য যে ফর্ম দেওয়া হচ্ছে, সেখানে আবেদনকারীর পরিবার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু ফর্মে এত বিস্তারিত ও অপ্রাসঙ্গি তথ্য কেন— প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

    তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, ‘এই ফর্ম পূরণ করাটা যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ ও জটিল। অনেকেরই এই ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে।’

    এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘সবই সরলীকরণ হবে। যাকে ইচ্ছে দিয়ে দিল, বাংলাদেশিরা নিয়ে গেল, এমন হবে না। আগে জিএসটি নিয়ে জটিলতা ছিল। এখন ভালো হয়েছে।’

    জানা গিয়েছে, জেলায় সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে গ্রাম পঞ্চায়েত (GP) স্তরে সহায়তা শিবির করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগকে সফলভাবে পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যেই GP কর্মীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। যদিও এখনও বিস্তারিত সরকারি গাইডলাইন জারি হয়নি, তবুও প্রতিটি ব্লকের BDO-দের নিজস্ব পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো, ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে সুষ্ঠুভাবে পরিষেবা প্রদান করা, যাতে কোনও ধরনের স্ট্যাম্পেড বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি না হয়। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে আবেদন সংগ্রহ ও পরিষেবা বণ্টনের ব্যবস্থা করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। জেলায় জেলায় যে বাংলা সহয়তা কেন্দ্র রয়েছে, সেখান থেকেও এই ফর্ম ফিলআপের কাজে সহায়তা করা হবে বলে একাধিক বিডিও জানিয়েছেন।

  • Link to this news (এই সময়)