'তক্কে-তক্কে' ছিল গ্রামের যুবকরা, ফাঁদে পা দিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল চার চোরাশিকারী
News18 বাংলা | ২৯ মে ২০২৬
রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়ে বাদুড় শিকারীদের ধরলেন যুবকরা। আমফান, আইলা, ইয়াস এর মত ঝড়ের দাপটে উপড়ে পড়েছে গিয়েছে বহু গাছ। আবার অনেক বড় বড় গাছ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। বড় গাছের সংখ্যা কম হওয়ার সঙ্গে লোকালয়ে বাদুড়ের আনাগোনাও কম হয়েছে। তবে গ্রামাঞ্চলে নিরিবিলি শান্ত বড় গাছে বাদুড়ের আনাগোনা ও আশ্রয় নিতে দেখা যায়। সেই সমস্ত স্থানকেই চিহ্নিত করে বাদুড় শিকারীরা। তারপর সেখানে হানা দিচ্ছে সেই অবৈধ কারবারিরা।
এদিন গভীর রাতে উদয়নারায়নপুর পেঁড়ো থানার অন্তর্গত নারকেলবেড়িয়া মাইতি পাড়া এলাকায় চাষের জমি ও বটতলার মাঝ এলাকায় একটি লম্বা দৈর্ঘ্যের জাল খাটিয়ে বাদুড় শিকার করার সময় চার ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরেন এলাকার কিছু যুবক। এলাকায় রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে বাদুড় শিকারের অভিযোগ উঠছিল কিছুদিন আগে থেকেই। এই সময় সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন পরিবেশকর্মী চিত্রক প্রামানিককে।
এই পরিবেশ কর্মীদের উদ্যোগে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান চালান। এরপর হাতেনাতে ধরা পড়ে শিকারীদের দল। শিকারীদের এ বিষয়ে সতর্ক করা এবং বোঝানো হয়। বাদুড় বন্যপ্রাণী, এদের সংস্পর্শে নানা রোগ ছড়াতে পারে। প্রথমে বাদুর শিকারীরা আক্রান্ত হন। পরে অন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
তাই এই কাজ একদিকে যেমন পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর, অন্যদিকে মানুষের পক্ষেও বিপজ্জনক হতে পারে। এরপর সংগঠন সদস্যরা অভিযুক্তদের পরিচয় পত্র নথিভুক্ত করে ছেড়ে দেন। তাদের কাছ থেকে জাল, লাঠি ও কয়েকটি শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। শিকারীরা নিজেদের ভুল শিকার করেন এবং ভবিষ্যতে এ কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।