বহুদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল টলিপাড়ায়। অবশেষে সেই গুঞ্জনেই সিলমোহর দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলার জুঁই বিশ্বাস। ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জুঁই কলকাতা পুরসভার ১০ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান। তিনি তৃণমূল নেতা এবং টলিউডের কলাকূশলীদের ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী। প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভ্রাতৃবধূ। সেই জুঁই বিশ্বাস সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তাঁর এবং স্বরূপ বিশ্বাসের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তারপরেই তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্যের বিনোদন ও রাজনৈতিক মহলের অন্দরে।
বৃহস্পতিবার একাধিক সংবাদমাধ্যমকে জুঁই বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকেই আমরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে পৃথক ভাবে থাকছিলাম। চলতি বছরের শুরুতেই আমাদের ডিভোর্সের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন,‘এই সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া নয়। দীর্ঘ দিনের। ’
তৃণমূলের হারের পর থেকে একাধিক তৃণমূল নেতার বিস্ফোরক মন্তব্য নিয়ে যখন তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তখনই জুঁই বিশ্বাস ব্যক্তিগত জীবনের এমন এক সিদ্ধান্তের কথা জানালেন, যা নিয়ে প্রবল আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকেই তাঁরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলাদা থাকছিলেন। এ বার আইনি পথে হাঁটছেন জুঁই ও স্বরূপ। জুঁই জানিয়েছেন, চলতি বছরের শুরুতেই এই বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছিলেন তাঁরা। জুঁই জানান, ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতিতে ঠিকানা বদল না করলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর গত বছর (২০২৫) থেকেই তিনি সম্পূর্ণ আলাদা ঠিকানায় চলে এসেছেন। জুঁই বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের দুই মেয়ে রয়েছে। এই সময়ে আমি ওদের মেন্টাল হেলথকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।’
বিষয়টি নিয়ে স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ফোন ধরেননি। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের উত্তরও দেননি।