এই সময়: সিম পাচারের তদন্তে নেমে আরও কয়েক জন বিক্রেতার নাম পেয়েছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থেকে বুধবার শেখ মুরসেলিন এবং গৌতম খাঁড়া নামে দু'জনকে গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ। অভিযোগ, ভারতীয় সিম কার্ড পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দেওয়ার কাজ করতেই এই দু'জন। ওই সব সিম কার্ড ব্যবহার করে কখনও কোনও নাশকতা হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন এসটিএফ–এর কর্তারা। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বৃহস্পতিবার বলেন, 'ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু সিম কার্ড পাওয়া গিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে এসটিএফ তদন্ত করছে।'
বুধবারই মুরসেলিন ও গৌতমকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। তাঁদের জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে অভিযুক্ত দু'জন ওই সিমগুলি কিনেছিলেন। অভিযোগ সিম কার্ড পাকিস্তানে পাঠানোর কাজ করতেন মুরসেলিন ও গৌতম। পাকিস্তানে বসে যাতে ভারতীয় সিম চালু করা যায়, তার জন্য ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি)–এর প্রয়োজন হতো। এসটিএফ সূত্রের খবর, জেরার মুখে মুরসেলিন ও গৌতম জানিয়েছেন, তাঁরা যাঁদের কাছ থেকে সিম কার্ড কিনেছিলেন, তাঁরাও ওই ওটিপি সরবরাহ করেছিলেন। তদন্তকারীদের আশঙ্কা, ভারতীয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করার জন্য ওই ওটিপি পাকিস্তানে পাচার করা হতো।
এক একটি সিমের জন্য চড়া কমিশনও নেওয়া হয়েছিল বলে এসটিএফ সূত্রের খবর। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে তাঁদের বয়ান খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারীরা। ধৃতদের থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ও বাকি সিম কার্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কে কে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।