সরকারি নির্দেশ মেনে বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় হোল্ডিং সেন্টার বা আটক শিবির চালু হয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোথায় কতগুলি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, সেখানে কত জনকে রাখা হয়েছে, তার হিসাব দিল রাজ্য সরকার।
প্রশাসন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ১১টি জায়গায় এই শিবির খোলা হয়েছে। কিছু শিবির পুলিশ জেলা ভিত্তিক এবং কিছু জেলা ভিত্তিক। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের আট পুলিশ জেলায় এই শিবির খোলা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বারুইপুর, সুন্দরবন, বসিরহাট, বনগাঁ, বারাসত, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর এবং কৃষ্ণনগর। এ ছাড়া মালদা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এই শিবির খোলা হয়েছে।
একমাত্র বসিরহাট পুলিশ জেলাতেই তিনটি শিবির খোলা হয়েছে। বাকি সব ক’টিতে একটি করে। প্রশাসন জানিয়েছে, বসিরহাটেই বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সব মিলিয়ে ৩৩৫ জনকে হোল্ডিং সেন্টারে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ১৪৮ এবং মহিলার সংখ্যা ৯৯। শিশুর সংখ্যাও ৮৮। আর ১৯ জন আটক রয়েছেন মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার হোল্ডিং সেন্টারে। বাকি সব ক’টিতেই আটকদের সংখ্যা ১০-এর নীচে।