ময়নাগুড়ির নতুন বিধায়ক ডালিম রায়কে সংবর্ধনা রেশন ডিলারদের
বর্তমান | ২৯ মে ২০২৬
সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: রেশন বণ্টন ব্যবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ির এমআর ডিলার অ্যাসোসিয়েশন বৈঠকে বসে। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ময়নাগুড়ির বিধায়ক ডালিম রায়কে। ময়নাগুড়ির মাড়োয়ারি ধর্মশালায় বিধায়ককে এমআর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের ময়নাগুড়ি ব্লক কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনাও প্রদান করা হয়। এরপরই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এমএলএ’র সঙ্গে আলোচনা করেন সংগঠনের কর্মকর্তারা।
ময়নাগুড়ি ব্লকে ৫৪ জন রেশন ডিলার আছেন। এদিনের সভায় কমবেশি সকলেই উপস্থিত ছিলেন। ডিলাররা জানিয়েছেন, দুয়ারে রেশনের জন্য তাঁদের ৭৫ টাকা দেওয়া হয়। আর এই টাকা দিয়ে দুয়ারে রেশন চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের। কারণ গাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে, গাড়ি থেকে রেশন সামগ্রী নামানোর জন্য যে মজুরি একজন শ্রমিককে দিতে হয় তা অনেকটাই। প্রত্যন্ত গ্রামেও গাড়ি নিয়ে যেতে হয়। যারজন্য গাড়ি ভাড়া অনেকটাই পড়ে।
ডিলাররা বলেন, ১০ বছর ধরে রেশন ডিলারদের কমিশন একই রয়েছে। কিন্তু কর্মচারীদের মজুরি যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনই খাতা-কলম থেকে শুরু করে লাইটের বিল বেড়েছে। লাভের পরিবর্তে কখনও কখনও ঘর থেকে উলটো টাকা দিতে হচ্ছে। কমিশন বৃদ্ধি করা না হলে আগামী দিনে রেশন বণ্টন ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। তাঁদের এই সমস্যাগুলি যেন বর্তমান সরকার দেখেন সেই ব্যাপারে এদিন ডিলাররা এমএলএ ডালিম রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
রেশন ডিলার নীলমনি লাহিড়ী, গোপাল পাল বলেন, ‘দুয়ারে রেশন’ চালাতে গিয়ে আমাদের বিভিন্নরকম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। সমস্যাগুলি নিয়ে বহুবার আগের সরকারের দৃষ্টি অকর্ষণ করেছিলাম আমরা। তারা কর্ণপাত করেনি। একপ্রকার জোর করেই দুয়ারে রেশন আমাদের দিয়ে চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি রেশনে কোনো সামগ্রিক খারাপ পেলে গ্রাহকরা আমাদের ধরেন। তাঁরা বোঝেন না ডিস্ট্রিবিউটরের ঘর থেকেই ওসব আসে। সেই কারণে এদিকেও যেন আধিকারিকরা একটু নজর রাখেন সেই দাবি আমরা জানাচ্ছি।
বিধায়ক জানান, আগামী দিনে রেশন ডিলারদের কোনো সমস্যা হলে তাঁকে যেন জানানো হয়। তিনি অবশ্যই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন।