• মালদায় রাতের অন্ধকারে বিজেপি নেতাকে মারধর-মাথা ফাটাল দুষ্কৃতীরা, কাঠগড়ায় TMC
    আজ তক | ২৯ মে ২০২৬
  • BJP Leader Rupesh Agarwal Attacked: গভীর রাতে অতর্কিত হামলা মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। আক্রান্ত হলেন উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সাধারণ সম্পাদক তথা এলাকার প্রাক্তন উপপ্রধান রূপেশ আগরওয়াল। রাতের অন্ধকারে তাঁকে দোকান থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে, রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। হামলায় ফেটে গিয়েছে ওই বিজেপি নেতার মাথা। রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় বর্তমানে তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই রক্তক্ষয়ী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে হরিশ্চন্দ্রপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি দোকানে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে বসে রুটি-তরকারি খাচ্ছিলেন রূপেশবাবু। ঠিক সেই সময়ই আচমকা একদল দুষ্কৃতী তাঁর ওপর পিছন থেকে চড়াও হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে দোকান থেকে টেনে বের করে রাস্তায় ফেলে লাঠিসোটা নিয়ে মারধর শুরু করা হয়। রূপেশবাবুর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। এরপরই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

    এই হামলার নেপথ্যে উঠে আসছে এক চাঞ্চল্যকর রাজনৈতিক তত্ত্ব। বিজেপির অন্দরের খবর, এলাকার জমি দখল ও তোলাবাজিতে অভিযুক্ত বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী-নেতা সম্প্রতি ভোল বদলে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, অনেকে চলেও এসেছে। স্পষ্টবক্তা রূপেশবাবু দলের অন্দরে এই ‘দুষ্কৃতী’দের পুনর্বাসন দেওয়ার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিলেন। নির্বাচনের আগে থেকেই এই দলবদল নিয়ে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে তুমুল বিবাদ চলছিল। রূপেশ অনুগামীদের দাবি, সেই পুরোনো আক্রোশ থেকেই পরিকল্পনা করে এই প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে। যদিও তৃণমূল এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র থাকার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। ইতিমধ্যেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় চারজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

     
  • Link to this news (আজ তক)