শুক্রবার দুপুরের কালবৈশাখীতে হাওয়ার গতিবেগ ছিল মরশুমের সর্বাধিক। সেই ঝড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো কলকাতার এক বাসিন্দার। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মৃতের নাম, পরিচয় জানা যায়নি। চক্ররেলের ইডেন গার্ডেন রেল লাইনের উপরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় চক্ররেলের পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ঝড়ের মাঝেই রেল লাইনের ধার দিয়ে আম কুড়োতে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই সময়েই তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বলে খবর। দুর্ঘটনার জেরে স্তব্ধ হয়ে যায় চক্ররেল পরিষেবা। অন্য দিকে, কলকাতায় এ দিন একাধিক জায়গায় ঝড়ে গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে। নেজাতি নগর, ৩৫ এ দুর্গা প্রসন্ন রোড, রবীন্দ্র সরোবর সাত নম্বর গেটের কাছে, রাসবিহারী অ্যাভিনিউ, টালিগঞ্জ রোডে গাছ ভেঙে পড়ে। কলকাতার মোট ৩৬টি জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে বলে পুরসভা সূত্রে খবর।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, এ দিন মরশুমের ষষ্ঠতম কালবৈশাখী হয়েছে। এটি মে মাসের তৃতীয় কালবৈশখী। দুপুর ২টো ৪৭ মিনিট থেকে থেকে ২টো ৫০ মিনিটের মধ্য়ে বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় সর্বোচ্চ প্রায় ৮০-৮৮ কিমি। মরশুমে এ দিনই সর্বোচ্চ গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বয়েছে কলকাতাতে। এ দিন কলকাতায় ৪০.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, মৌসুমী বায়ু মূল ভারতের ভূখণ্ডের কাছাকাছি এসে গিয়েছে। বর্তমানে মৌসুমী বায়ু লাক্ষাদ্বীপ এলাকায় রয়েছে। আগামী দু’-তিন দিনে স্থলভাগের দিকে আরও এগোবে। পরের সাত দিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু কেরালায় পৌঁছবে। এর পরেই বর্ষা বাংলায় প্রবেশ করতে পারে।