শুভেন্দুর থ্রি-ডি নির্দেশিকা মেনে শুরু পুশব্যাক, মালদহ থেকে ৯ জনকে পাঠানো হল বাংলাদেশে
প্রতিদিন | ৩০ মে ২০২৬
রাজ্যকে অনুপ্রবেশমুক্ত করতে ক্ষমতায় এসেই থ্রি-ডি নীতি কার্যকর করার কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ বাংলাদেশি, রোহিঙ্গাদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করা হবে। সেইমতো রাজ্যে শুরু হয়ে গেল অবৈধ বাংলাদেশিদের পুশব্যাক করার কাজ। মালদহের ইংলিশবাজার থানা এলাকার চন্দনপার্কে চালু হওয়া হোল্ডিং সেন্টার থেকে শিশু, মহিলা-সহ ৯ জন বাংলাদেশিকে শুক্রবার পুশব্যাক করা হয়েছে বলে খবর। বিএসএফ তাঁদের পুশব্যাক করেছে। তবে এনিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চায়নি জেলা পুলিশ।
শুক্রবার বাংলাদেশে পুশব্যাক নিয়ে মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন, ‘‘হোল্ডিং সেন্টারের ৯ জন বাংলাদেশিকে পুলিশের তরফে বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতে বিএসএফ এসে তাঁদের নিয়ে গিয়েছে। এরপর বাকিটা বিএসএফের বিষয়।” বিএসএফের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরেই তাঁদের বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে। ৯ জনের মধ্যে ৩ জন মহিলা এবং ৬ জন নাবালক ও শিশু ছিলেন। তবে কীভাবে, কোন্ সীমান্ত দিয়ে তাঁদের পাঠানো হয়েছে তা বিএসএফ কর্তৃপক্ষ জানাতে চায়নি।
উল্লেখ্য, সোমবার মালদহের ইংলিশবাজারে হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়। অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করে তাঁদের ধরে ‘ডিপোর্ট’ করার জন্য রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করে তা দ্রুত চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। অনুপ্রবেশকারীদের সেখানে কিছুদিন রাখার পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হবে। উত্তরবঙ্গে প্রথম হোল্ডিং সেন্টারটি সোমবার থেকে চালু করা হয়েছে মালদহে। ইংলিশবাজারের হোল্ডিং সেন্টারে প্রথম দিন রাখা হয় ৯ বাংলাদেশিকে। তাঁদের গাজোলের পান্ডুয়া এলাকা থেকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ৯ বাংলাদেশির মধ্যে ৩ মহিলা ও ৬ জন নাবালক-শিশু ছিল। তাঁদের প্রত্যেককেই পুশব্যাক করায় এই হোল্ডিং সেন্টারে এই মুহূর্তে কোনও অনুপ্রবেশকারী নেই।